Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় মোরা বিধ্বস্ত বাংলাদেশে ত্রাণ বিলি ভারতের

প্রতিবেশী দেশের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৭, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৭, ১২:১৫

options
link
ঘূর্ণিঝড় মোরা বিধ্বস্ত বাংলাদেশে ত্রাণ বিলি ভারতের zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় মোরায় প্রচণ্ড ক্ষতির সন্মুখীন বাংলাদেশে ত্রাণ বিলি করছে ভারত। “ভারত বরাবর বাংলাদেশকে অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করে। তাই সব সময় আমরা বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াই।” চট্টগ্রাম বন্দরে ত্রাণ বিলি করার সময় এমনটাই বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত  হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। চট্টগ্রামের জেলা শাসক মহম্মদ জিল্লুর রহমান চৌধুরি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় ত্রাণসামগ্রী গ্রহণ করেন। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সোমনাথ হালদার, বিএনএস ঈশা খাঁর কমান্ডিং অফিসার কমোডর মুসা, ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ আইএনএস সুমিত্রার কমান্ডিং অফিসার এসপি শ্রিশান। চট্টগ্রাম ও কঙ্বাজারের উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ করে সন্দ্বীপ, আনোয়ারা, বাঁশখালি, কুতুবদিয়া, কঙ্বাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এলাকায় এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

[সুষমার সাহায্যে আপ্লুত, টুইটারে ‘জয় হিন্দ’ লিখলেন পাক যুবক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য,  প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরার তাণ্ডবে বিধ্বস্ত বাংলাদেশে ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা। ইতিমধ্যে বন্দর শহর চট্টগ্রাম থেকে ১০০ মাইল দূরে মাঝসমুদ্র থেকে বাংলাদেশের ৩৩ নাগরিককে উদ্ধার করে নৌসেনার জাহাজ আইএনএস সুমিত্রা। বাংলদেশে উদ্ধারকার্য চালাতে উদ্ধারকাজ চালাতে মোতায়েন করা হয়েছে P-81 বিমানও মোতায়েন করেছে নৌসেনা।

ঘূর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের৷ বঙ্গোপসাগরে ছয়টি মাছ ধরার ট্রলার-সহ ৭১ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ রয়েছেন। গভীর সাগরে ঝড়ের  মধ্যে একটি ট্রলার থেকে পড়ে একজন মৎস্যজীবী-সহ সাত জন নিহত হয়েছেন। কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চৌধুরি বলেন, কুতুবদিয়া অঞ্চল থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া চারটি ট্রলার তীরে ফিরে আসেনি। মোট ৬৩ জন মৎস্যজীবী ছিলেন তাতে। ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, ফেনি, চাঁদপুর পটুয়াখালি ও বরিশাল৷ মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সকাল ৬টা নাগাদ কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে মোরা৷ ঝড়ের আশঙ্কায় সোমবারই প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দলের মুখপাত্র আবুল হাশিম জানান, ঘূর্ণিঝড়ে যাতে কোনও প্রাণহানি না ঘটে, তার জন্যই অগ্রিম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে উদ্ধারকারী দল।

[কাশ্মীরিদের ‘সংগ্রামে’ মদত দেবে পাকিস্তান, দাবি আজিজের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.