Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Nicolas Maduro

সরষের মধ্যেই ভূত! মাদুরোর অপহরণে মার্কিন সেনাকে সাহায্য ভেনেজুয়েলারই মন্ত্রীর?

গত ২ ডিসেম্বর গভীর রাতে (স্থানীয় সময়) মাদুরোকে অপহরণ করে করে মার্কিন সেনার 'ডেল্টা ফোর্স'। ভেনেজুয়েলায় মাত্র দু’ঘণ্টার অভিযানে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:৪১

options
link
সরষের মধ্যেই ভূত! মাদুরোর অপহরণে মার্কিন সেনাকে সাহায্য ভেনেজুয়েলারই মন্ত্রীর? zoom

মাত্র দু’ঘণ্টার অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে মার্কিন সেনা। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে মাদুরোকে তাঁর বাসভবন থেকে কীভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হল – তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে প্রকট হচ্ছে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র তত্ত্ব। সরষের মধ্যেই কি রয়েছে ভূত? গোটা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল মাদুরোর নিজের দলেরই নেতারা? জোরাল হচ্ছে প্রশ্নগুলি।

কিন্তু কেন ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র তত্ত্ব প্রকট হচ্ছে? আসলে একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের কয়েকমাস আগে থেকেই সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর সঙ্গে যোগাযোগে ছিল আমেরিকার গোয়েন্দারা! সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টগুলিতে দাবি করা হচ্ছে, মাদুরোর নিরাপত্তা বলয়-সহ বিভিন্ন গোপন তথ্য আগে থেকেই আমেরিকার হাতে চলে এসেছিল। আর এসব কিছু ফাঁস করেছিলেন ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টেরই ‘ঘনিষ্ঠ’ কেউ। সেই ব্যক্তিই ছিলেন ‘বিশ্বাসঘাতক’। তবে এই গোটা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কাবেয়ো যুক্ত ছিলেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু তাঁর সঙ্গে যে মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগাযোগ ছিল, এই তথ্যে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে রিপোর্টগুলিতে।  

Advertisement

গত ২ ডিসেম্বর গভীর রাতে (স্থানীয় সময়) মাদুরোকে (Nicolas Maduro) অপহরণ করে করে মার্কিন সেনার ‘ডেল্টা ফোর্স’। ভেনেজুয়েলায় মাত্র দু’ঘণ্টার অভিযানে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয়। এই অভিযানের নাম ছিল  ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজ়লভ’। বর্তমানে মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছে আমেরিকার নিউ ইয়র্কের কুখ্যাত ব্রুকলিন জেলে। মাদুরোকে বন্দি করার পর আমেরিকা জানায়, নিউ ইয়র্কের আদালতে তাঁর বিচার হবে।

আমেরিকার অভিযোগ, সর্বশেষ নির্বাচনে বামপন্থী মাদুরো রিগিং করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন। মার্কিন প্রশাসনের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করেই দক্ষিণ আমেরিকার তেল সমৃদ্ধ এই দেশের প্রেসিডেন্টের গদিতে ফের বসেছিলেন মাদুরো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরবারই মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে মাদক চক্র চালানোর অভিযোগ তুলেছেন। সেই সঙ্গে আমেরিকার দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে অভিবাসীদের ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.