সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের কূটনৈতিক চালে আরও একঘরে পাকিস্তান। পাক অধীকৃত কাশ্মীরে নির্মীয়মান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। ওই প্রকল্পে থাকার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করছে কোরিয়ার একটি সংস্থা। মুজাফফরাবাদে কোরিয়ার সাহায্যে ঝিলম নদীর ওপর ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হওয়ার কথা ছিল।
[বিমানের মতো দেখতে অত্যাধুনিক রেল তৈরি হবে রাজ্যেই]
দেশটির নাম পাকিস্তান। সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসাবে তাদের বিরুদ্ধে বাকি দুনিয়ার অভিযোগের শেষ নেই। সম্প্রতি পাকিস্তানের বেশ কিছু প্রকল্প থেকে পিছিয়ে আসে এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক-সহ আরও কিছু আর্থিক ঋণপ্রদানকারী সংস্থা। এবার সেই পথে গিলগিট-বালটিস্তানের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে সরে আসতে চলেছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংস্থা। পাক অধীকৃত কাশ্মীরের তথ্যমন্ত্রী মুস্তাক আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা মেনে নিয়েছেন। সূত্রের খবর, কোরিয়ার ওই সংস্থা প্রকল্পে থাকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেছে। বিদ্যুৎ এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে দীর্ঘ দিন ধরে পাকিস্তান চিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মুখাপেক্ষী। গিলগিট-বালতিস্তানের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এইসব প্রকল্পগুলি রয়েছে। প্রাক্তন বিদেশ সচিব শ্যাম সরণের মতে ভারতের কূটনৈতিক দৌত্যর জন্য কোরিয়ার এমন ব্যবস্থা নিলে তা দেশের পক্ষে আশাব্যঞ্জক। এভাবে চলতে থাকলে পাকিস্তান আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাক অধীকৃত কাশ্মীরের মতো বিতর্কিত জায়গায় পারতপক্ষে যেতে চাইছে না বিভিন্ন দেশ। এই বিদ্যুৎ প্রকল্প বেশ কিছু দিন ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। নিজেদের এলাকা বলে দাবি করলেও, গিলগিট-বালটিস্তানের কথা পাকিস্তানের সংবিধানে কোথাও উল্লেখ নেই। ওই এলাকার বাসিন্দাদের নাগরিকত্ব-সহ একাধিক প্রশ্নের কোনও জবাব নেই পাকিস্তানের কাছে। গত কয়েক বছরে ভারত ধারাবাহিকভাবে দুনিয়ার কাছে এই বিষয়গুলি তুলে ধরেছে।
[সন্ত্রাসবাদীদের ‘স্বর্গরাজ্য’ পাকিস্তান, মার্কিন রিপোর্টে বেকায়দায় শরিফ প্রশাসন]
পাক অধীকৃত কাশ্মীরের ওই এলাকাকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করবে না কোরিয়া। এই পদক্ষেপে ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে। চিনের চাপে গিলগিট-বালতিস্তানকে দেশের পঞ্চম প্রদেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে নওয়াজ শরিফ প্রশাসন। কোরিয়ার এই মনোভাবের পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে বলে ধারণা পাক অধীকৃত কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সরদার আতিকের। তবে এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মুখরক্ষার চেষ্টা করলেও, চাপ যে বাড়ছে তা পাক প্রশাসনের কর্তাদের কথাতে অনেকটাই পরিষ্কার।
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা