Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Benjamin Netanyahu

রাষ্ট্রসংঘে ‘রক্তপিপাসু’ নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট কূটনীতিকদের! বিশ্বমঞ্চে আরও কোণঠাসা ইজরায়েল?

গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের জের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ২১:৪২

options
link
রাষ্ট্রসংঘে ‘রক্তপিপাসু’ নেতানিয়াহুর ভাষণ বয়কট কূটনীতিকদের! বিশ্বমঞ্চে আরও কোণঠাসা ইজরায়েল? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজায় লাগাতার ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জেরে বিশ্বমঞ্চে আগেই নিন্দার মুখে পড়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই আঁচ এবার এসে পড়ল রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চেও। রাষ্ট্রসংঘে তিনি ভাষণ দিতে উঠতেই একে একে আসন ছাড়লেন কূটনীতিকরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুক্রবারের এই ঘটনাই প্রমাণ করে দিল বিশ্বমঞ্চে আরও কোণঠাসা হয়ে গিয়েছে ইহুদি দেশটি।

আন্তর্জাতিক একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, নেতানিয়াহুর বক্তৃতা চলাকালীন আরব ও মুসলিম দেশগুলির প্রায় সকল প্রতিনিধিরাই ‘ওয়াক আউট’ করেন। তবে বেশ কয়েকটি আফ্রিকান এবং কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা তাঁর ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, যুদ্ধপরাধের জন্য আগেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। সম্প্রতি তিনি হুঁশিয়ারি দেন, তেল আভিভ শীঘ্রই গাজায় তার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে ফেলবে। এমনকী তিনি ইজরায়েলি সেনাবাহিনীকে তাঁর এই হুমকিবার্তা গোটা গাজায় লাউডস্পিকারের মাধ্যমে শোনানোরও নির্দেশ দেন। তারপরই রাষ্ট্রসংঘে মুখ পুড়ল ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর।

Advertisement

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিয়ে প্যালেস্টাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেন নেতানিয়াহু। তারপর থেকেই লড়াই জারি রয়েছে। ইজরায়েলের লাগাতার হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা গাজা। সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা চললেও তার ভবিষ্যৎ অজ্ঞাত। ২ বছরের বেশি সময় ধরে চলতে থাকা গাজা যুদ্ধ থামাতে উঠে পড়ে লেগেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি সফল হননি। যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত গাজায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি, আহতের সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন ৪ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। অন্যদিকে, হামাসের হাতে এখনও পণবন্দি রয়েছেন বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর গাজা শহরের আরও ভিতরে প্রবেশ করে অভিযান শুরু করেছে ইজরায়েলি সেনা। শয়ে শয়ে ঢুকেছে ইজরায়েলি ট্যাঙ্কও।

গাজায় ইজরায়েলি হামলা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলার জেরে মৃত্যু হচ্ছে সাধারণ প্যালেস্তিনীয়দের। শুধু তা-ই নয়, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আইন মানছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু তার পরেও আক্রমণের ঝাঁজ একবিন্দুও কমাননি নেতানিয়াহু। উলটে ক্রমেই তা বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রপুঞ্জ জানিয়েছিল, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে ইজরায়েল। বাকি জমিও দখল করতে ইহুদি দেশটি বদ্ধপরিকর। এর পাশাপাশি, গোটা গাজা পরিস্থিতি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। সম্প্রতি সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। রিপোর্টে গাজায় গণহত্যার জন্য সরাসরি ইজরায়েলকেই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। এসবের মাঝেই গাজায় ‘গ্রাউন্ড অফেনসিভ’ শুরু করেছে ইজরায়েল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইহুদি দেশটির এই পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। এই আবহে রাষ্ট্রসংঘে নেতানিয়াহুকে বয়কট করল বহু দেশের প্রতিনিধিরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.