Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

ডোকলামের দখল পেতে চিনের হাতিয়ার ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’

কী এই কৌশল? জানলে চমকে উঠবেন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ০৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ০৩:৫৬

options
link
ডোকলামের দখল পেতে চিনের হাতিয়ার ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রণক্ষেত্রে মুখোমুখি যুদ্ধ করে নয়াদিল্লির কাছ থেকে ডোকলাম ছিনিয়ে নেওয়া যে সহজ হবে না, সে কথা বিলক্ষণ বুঝেছে বেজিং। আর তাই কি ভারতের বিরুদ্ধে সনাতন ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’কে হাতিয়ার করল লালফৌজ? একাধিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ কিন্তু এই কথাই বলছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডোকলামে জয় পেতে চিন কিন্তু সুকৌশলে তাদের আসল তাস খেলে ফেলেছে।

[ডোকলাম ইস্যুতে এবার সরাসরি ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা]

কিন্তু কী এই কৌশল?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কৌশলের ছক তৈরি হয় ২০০৩-এ। যদিও প্রকাশ্যে সে কথা বেজিং কখনই স্বীকার করে না। লালফৌজের নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী চিনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন এই স্ট্র্যাটেজিকে ছাড়পত্র দেয়। দক্ষিণ চিন সাগরে দাদাগিরির লক্ষ্যেই জন্ম ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’র বা তিন রণকৌশল নীতির। এর মধ্যে প্রথমটি হল ‘মিডিয়া যুদ্ধ’। প্রতিপক্ষকে নিশানা করে চিনা সংবাদমাধ্যমে একের পর এক প্ররোচনামূলক খবর প্রকাশ করে বিপক্ষকে চাপে রাখার ছক করা হয়েছে। ভারত যেটা বিলক্ষণ টের পাচ্ছে। চিনা সংবাদমাধ্যমগুলি প্রায়ই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঙ্কার ছাড়ছে। অবশ্য নয়াদিল্লি ওইসব সংবাদপত্রকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। কারণ, চিনা সংবাদমাধ্যম আসলে সে দেশের শাসক কমিউনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণাধীন। দলীয় মুখপত্র হিসাবে কাজ করে গ্লোবাল টাইমস, শিনহুয়া নিউজ। আন্তর্জাতিক দুনিয়ার সঙ্গে চিনের মানুষের পরিচয় নেই বললেই চলে। কারণ, সংবাদমাধ্যম ছাড়াও অধিকাংশ জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারও নিষিদ্ধ সে দেশে।

[ডোকলামে আরও সেনা পাঠাল ভারত, তবে কি যুদ্ধ আসন্ন?]

china-drone-web

দ্বিতীয় কৌশলটি হল ‘মানসিক যুদ্ধ’। এই কৌশলের জন্য নিয়োগ করা হয় চিনা বিদেশমন্ত্রক, সেনাকর্তাদের। তাঁরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মৌখিক তোপ দেগে আস্ফালন দেখান।  বারবার দেশের সামরিক শক্তির বড়াই করেন। সেনাবহরের খতিয়ান দেন। এই কৌশলেও দমেনি ভারত। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী অরুণ জেটলিরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন,  দেশ এখন আর ১৯৬২-র ভারত নেই যে চিনের কাছে হেরে যাবে! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ঢেলে সাজানো হয়েছে দেশের সামরিক বাহিনীকে। আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইজরায়েলের কাছ থেকে নিয়মিত অস্ত্র, যুদ্ধবিমান আসছে এ দেশে। চলে এসেছে অত্যাধুনিক কামান, তৈরি রয়েছে দেশের পারমাণবিক সাবমেরিন। আকাশপথে নজর রাখছে অত্যাধুনিক ড্রোন। আর এই সমস্ত সামরিক অস্ত্র পরিচালনা ও দক্ষতায় জল-স্থল ও আকাশে বিপক্ষ যে কোনও দেশের বাহিনীকেই যে টেক্কা দিতে পারে ভারত, সেটা কথা স্বীকার করে নিচ্ছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

লালফৌজের ‘থ্রি ওয়ারফেয়ার স্ট্র্যাটেজি’র তৃতীয় কৌশলটি হল আইনি লড়াই। ২০১৬-য় এই ছকেই আন্তর্জাতিক আদালতে দক্ষিণ চিন সাগরের দখল পেতে চেয়েছিল বেজিং। কিন্তু তা মুথ থুবড়ে পড়ে। বরং ফিলিপিন্সের মতো দেশ কৌশলগত জয় ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এবার ভুটানকে ব্যবহার করে ওই একই পন্থা ভারতের বিরুদ্ধে গ্রহণ করতে চাইছিল চিন। কিন্তু এবারও ওই ছক বানচাল করে দিল ভারত। বেগতিক বুঝে চিনা সেনাকর্তারা সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য ভারতের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন। কিন্তু ডোকলাম ইস্যুতে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে চিনকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, সেনা প্রত্যাহার করতে হলে একসঙ্গে দুই দেশকেই তা করতে হবে। সীমান্তে সংঘাতের পরিস্থিতি প্রশমনে শুক্রবার সিকিমের নাথু লা-তে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে বসেছিলেন দু’দেশের শীর্ষ সামরিক কর্তারা।

china-army-day

[ডোকলাম থেকে বাসিন্দাদের সরাচ্ছে ভারতীয় সেনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.