Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

বিচারকের ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তে দেশে ঢুকতে পারে সন্ত্রাসবাদীরা, আশঙ্কা ট্রাম্পের

দেশকে বিপদে ফেলার দায় বর্তাবে বিচারব্যবস্থার ওপর।হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৭, ০৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৭, ০৫:৫৫

options
link
বিচারকের ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তে দেশে ঢুকতে পারে সন্ত্রাসবাদীরা, আশঙ্কা ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেওয়ায় মার্কিন আদালতকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাফ কথা, এর ফলে আমেরিকা সমূহ বিপদে পড়বে। বিচারকের ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তে দেশে ঢুকে পড়তে পারে বহু বিপজ্জনক লোক। নাম না করে সন্ত্রাসবাদীদের কথাই বলতে চেয়েছেন ট্রাম্প, অনুমান রাজনীতিক মহলের। মূলত এই আশঙ্কাতেই সন্ত্রাসে জর্জরিত সাতটি দেশ থেকে আমেরিকায় শরণার্থীদের প্রবেশ তিনি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু আদালতের হস্তক্ষেপে সেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ লাগু হওয়ায় এখন বেজায় চটেছেন নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে সুরক্ষিত রাখার ১০টি আধুনিক টিপস

ট্রাম্প এদিন বলেন, বিপজ্জনক লোকেরা দেশে ঢুকে পড়লে দায় বর্তাবে ওই বিচারক এবং বিচারব্যবস্থার উপর। রবিবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্রাম্প টুইট করেছেন, ‘বিশ্বাসই হচ্ছে না একজন বিচারক গোটা দেশকে এরকম বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। যদি দেশের কোন ক্ষতি হয় তাহলে ওই বিচারক এবং বিচারব্যবস্থা দায়ী থাকবে।’ এর সঙ্গে আরও একটি টুইটে বলেন, ‘আমি হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে বলেছি, যাঁরাই আমাদের দেশে আসছে তাঁদের যেন সঠিকভাবে তল্লাশি করা হয়। তবে আদালত আমাদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলছে।’

Advertisement

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ২০,০০০ কোটি টাকার গোলাবারুদ পাচ্ছে সেনা

বিচারব্যবস্থার সঙ্গে ট্রাম্পের এই বিরোধ গত বেশ কয়েকদিন ধরেই চলে আসছে। গত ২৭ জানুয়ারি ইরাক, ইরান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া এবং সুদান- এই সাত দেশ থেকে শরণার্থীর আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু গত শনিবার সিয়াটেলের এক আদালত ট্রাম্পের সেই অভিবাসন নীতিতে স্থগিতাদেশ দেয়। ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস রবার্ট জানিয়ে দেন, গোটা দেশেই ওই স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে। ফলে সাত দেশ থেকে আমেরিকায় আসতে পারবেন অভিবাসীরা। এরপর উচ্চ-আদালতে ওই স্থগিতাদেশের রদ করতে আবেদন করে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু উচ্চ আদালত তাতে সায় দেয়নি। সোমবার প্রথমে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জার অর্থাৎ ওয়াশিংটন ও মিনেসোটা প্রদেশকে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে। আর বিকেলে পাল্টা হলফনামা দিতে হবে ট্রাম্প প্রশাসনকে। উভয়পক্ষের যুক্তি শুনে আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।

‘ক্লিভেজ’ দেখা যাচ্ছে, অভিযোগে বিমান থেকে নামানো হল যাত্রীকে

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার জেমস রবার্টের ওই রায়ের পরও তাঁর সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।বলেছিলেন, ‘বিচারক বলে পরিচয় দেওয়া লোকটি হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দ্রুতই তাঁর রায় বাতিল হবে। কারণ এই ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্তে বহু বিপজ্জনক লোক আমাদের দেশে ঢুকে পড়ছেন।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.