Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump Iran

ইরানের হার নিশ্চিত? ‘ওদের তেল কেড়ে নেবই’ হুঙ্কার ট্রাম্পের, খার্গ দখলে আত্মবিশ্বাসী মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ট্রাম্প মনে করছেন, ইরানের প্রতিরক্ষা বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাই মার্কিন সেনা খার্গ দ্বীপ দখল করতেই পারে। এই খার্গ দ্বীপই ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৮:৩৩

options
link
ইরানের হার নিশ্চিত? ‘ওদের তেল কেড়ে নেবই’ হুঙ্কার ট্রাম্পের, খার্গ দখলে আত্মবিশ্বাসী মার্কিন প্রেসিডেন্ট zoom
জল-স্থল-আকাশ তিন দিক থেকে হামলা চালিয়ে খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। ফাইল ছবি।
Advertisement

ইরানের খার্গ দ্বীপ কি দখল করে নিল মার্কিন সেনা? এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথায়। রবিবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, ইরানের তৈলভাণ্ডার দখলটাই আপাতত তাঁর লক্ষ্য। ট্রাম্প মনে করছেন, ইরানের প্রতিরক্ষা বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাই মার্কিন সেনা খার্গ দ্বীপ দখল করতেই পারে। উল্লেখ্য, এই খার্গ দ্বীপই ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। সেটি আমেরিকার দখলে চলে এলে ইরানের পরাজয় কার্যত নিশ্চিত।

রবিবার একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে কি, আপাতত আমার লক্ষ্য ইরানের তৈল ভান্ডার দখল করা। মার্কিন সেনার কাছে এখন অনেকরকম বিকল্প রয়েছে। হয়তো আমরা খার্গ দ্বীপটা দখল করে নিলাম। আবার সেটা নাও করতে পারি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, খার্গ দ্বীপে আমরাও আছি এটা নিশ্চিত করতে হবে। আমার মনে হয় ইরানের প্রতিরক্ষা একেবারে ভেঙে পড়েছে। তাই আমরা চাইলে খুব সহজেই খার্গ দ্বীপ দখল করে নিতে পারি।” একই সঙ্গে নিজের দেশবাসীকেও কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। বলেন, “আমরা ইরানের তেল দখল করতে চাইছি, কিন্তু আমাদের দেশের কিছু বোকা মানুষ বলছে, ‘কেন এটা করছ’।”

Advertisement

উল্লেখ্য, একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের জেরে হুহু করে বাড়ছে তেলের দাম। ব্যারেলপ্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১১৬ মার্কিন ডলার পেরিয়েছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে চাপ বাড়াচ্ছে ইরান। সবমিলিয়ে প্রভাব পড়ছে আমেরিকাতেও। সেদেশে পেট্রলের দাম ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপ দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে আমেরিকা, এমনটাই মত বিশ্লেষকদের। কারণ ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র এই দ্বীপ দেশটির অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। এখান থেকেই দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করে ইরান। গোটা দ্বীপ জুড়ে রয়েছে অপরিশোধিত তেলের মজুত ভাণ্ডার। পাশাপাশি এই দ্বীপেই রয়েছে ইরানের বিশাল সামরিক ঘাঁটি।

মনে করা হয়, খার্গ দ্বীপ কোনওভাবে হাতছাড়া হলে ইরানের অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। ফলে কার্যত আত্মসমর্পণ করতে হবে তেহরানকে। রবিবারই জানা যায়, ইরানে গেরিলা অভিযান শুরু করবে স্থলসেনা, এমন ছক কষছে পেন্টাগন। জল-স্থল-আকাশ তিন দিক থেকে হামলা চালিয়ে খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে। সেই পরিকল্পনা কি তাহলে সফল হতে চলেছে? এমনটাই ইঙ্গিত ট্রাম্পের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.