Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump

‘অভব্য’ ট্রাম্প! রানিকে টপকে করমর্দন, অস্বস্তিতে ফেললেন চার্লসকেও, অসৌজন্য ঘিরে নিন্দার ঝড়

ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডির আতিথেয়তা গ্রহণের পর গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে আসেন সস্ত্রীক চার্লস। আর সেখানেই দেখা যায় এই দৃশ্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৪:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৪:৫৩

options
link
‘অভব্য’ ট্রাম্প! রানিকে টপকে করমর্দন, অস্বস্তিতে ফেললেন চার্লসকেও, অসৌজন্য ঘিরে নিন্দার ঝড় zoom
মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় করানোর সময় কামিলাকে টপকে গেলেন ট্রাম্প।
Advertisement

সাধারণ সৌজন্যমূলক করমর্দন। সেখানেও অসৌজন্য দেখিয়ে ফেললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি কামিলা এসেছেন মার্কিন সফরে। সেখানে মার্কিন আধিকারিকদের সঙ্গে পরিচয় করানোর সময় কামিলাকে টপকে গেলেন ট্রাম্প। তাঁর আগে নিজেই করমর্দন করতে লাগলেন! যা দেখে থমকে গেলেন রানি। খানিক পরে একই অভিজ্ঞতা হল রাজারও। দৃশ্যতই তাঁদের বিব্রত দেখিয়েছে ট্রাম্পের এমন আচরণের সামনে!

ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডির আতিথেয়তা গ্রহণের পর গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে আসেন সস্ত্রীক চার্লস। সাউথ লনে দাঁড়িয়েছিলেন মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা মানুষেরা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ, বাণিজ্য সচিব লুটনিক, চিফ অফ স্টাফ সুসি ওয়াইলসের সঙ্গে পরিচয় পর্যন্ত ব্যাপারটা ঠিক ছিল। হঠাৎই ট্রাম্প গেলেন ‘বিগড়ে’। কী খেয়াল হল, তিনি হনহন করে হেঁটে এসে রানি কামিলাকে টপকে গিয়ে সামনে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে করমর্দন করতে শুরু করলেন। তা দেখে থমকে গেলেন কামিলা। ট্রাম্পের অবশ্য সেদিকে খেয়াল ছিল না। এরপর অস্বস্তিতে পড়তে হল রাজা চার্লসকে। তিনি একজনের সঙ্গে করমর্দন করতে গেলে। কিন্তু তাঁকে এড়িয়ে সেটা করে ফেললেন ট্রাম্প! স্বাভাবিক ভাবেই চার্লসও থমকে যান। তাঁর চোখে-মুখেও একই রকম বিব্রত ভাব লক্ষ করা যাচ্ছিল।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, এই বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট রাজকীয় আচরণবিধি নেই। কিন্তু স্বাভাবিক সৌজন্যে কেউই রানির আগে হাঁটেন না। ট্রাম্পের আচরণে সেসবের বালাই ছিল না। নিজের খেয়ালে তিনি কী করে অতিথিদের অগ্রাহ্য করতে পারেন তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

এদিকে হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের সময় দুই রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে কথা হয় দুই দেশের বিশেষ সম্পর্ক নিয়ে। আর তখনই আচমকা ট্রাম্পকে খোঁচা দেন চার্লস। আসলে ট্রাম্প গত জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, আমেরিকা না থাকলে ইউরোপীয় দেশগুলি জার্মান ভাষায় কথা বলত। সেই কথাটি যে ব্রিটেন ভালোভাবে নেয়নি তা এদিন পরিষ্কার হয়ে যায়। রাজা তৃতীয় চার্লস ট্রাম্পকে বলেন, ”মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনি সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন, আমেরিকা না থাকলে ইউরোপীয় দেশগুলো জার্মান ভাষায় কথা বলত। আমি কি তবে এ কথা বলার ধৃষ্টতা দেখাতে পারি যে, আমরা না থাকলে আপনারা ফরাসি ভাষায় কথা বলতেন?” একথায় হাসির ফোয়ারা ওঠে উপস্থিত অভ্যাগতদের মধ্যে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.