Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬
Donald Trump

ভয়ে কাঁপে আল কায়দা জঙ্গিরাও! সেই গুয়ান্তানামো কারাগারেই পাঠানো হবে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’, বলছেন ট্রাম্প

ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরতেই আমেরিকাজুড়ে শুরু হয়েছে ‘অনুপ্রবেশকারী হঠাও অভিযান’।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৫, ০৯:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৫, ০৯:৫৫

options
link
ভয়ে কাঁপে আল কায়দা জঙ্গিরাও! সেই গুয়ান্তানামো কারাগারেই পাঠানো হবে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’, বলছেন ট্রাম্প zoom
কিউবার গুয়ান্তানামো বে কারাগার। ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিউবার গুয়ান্তানামো বে কারাগারের নাম শুনলে ভয়ে কাঁপে আল কায়দার জঙ্গিরাও! এবার সেই জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে পাঠানো হবে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’। এমনই জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মসনদে ফিরতেই আমেরিকাজুড়ে শুরু হয়েছে ‘অনুপ্রবেশকারী হঠাও অভিযান’। চলছে ধরপাকড়। বাদ যাচ্ছে না গুরুদ্বারের মতো ধর্মীয় স্থানও। এই কদিনে শয়ে শয়ে ‘অবৈধ’ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন পুলিশ। এবার তাদের ঠাঁই হতে চলেছে কুখ্যাত গুয়ান্তানামো কারাগারে। 

গত কয়েক বছর ধরে ‘অবৈধ’ অভিবাসীদের নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে আমেরিকায়। বার বার অভিযোগ উঠেছে এই ‘অনুপ্রবেশকারী’দের জন্য আমেরিকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বাড়ছে, প্রভাব পড়ছে চাকরি ক্ষেত্রে, প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতেও। এই ইস্যুতে চাপে পড়তে হয়েছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরকারকেও। তাই ট্রাম্পের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, আমেরিকাকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ মুক্ত করা। একাধিকবার তিনি হুঙ্কার দিয়েছেন, ‘আমেরিকা শুধু আমেরিকানদের।’ এবার ‘অবৈধ’ অভিবাসীদের নিয়ে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছেন ট্রাম্প। এএনআই সূত্রে খবর, এক অনুষ্ঠানে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, “আমেরিকায় বহু অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার হচ্ছে। এর জন্য গুয়ান্তানামো বে কারাগারে প্রায় ৩০ হাজার বন্দির থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমেরিকার নাগরিকদের সুরক্ষার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “আমরা যাদের গ্রেপ্তার করেছি তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কুখ্যাত অপরাধী। তাই আমরা তাদের নিজেদের দেশে পাঠানোর ভরসা করতে পারছি না। কারণ ওরা আমেরিকার নাগরিকদের জন্য ক্ষতিকর। আমরা চাই না ওরা আবার এদেশে ফিরে আসুক। তাই ওদের জায়গা হবে গুয়ান্তানামোতে।” জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তরফে ৩০ হাজার বন্দির থাকার বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এই গুয়ান্তানামো কারাগার এতটা ভয়ংকর? এই জেলে যাওয়ার নাম শুনলে বুক কাঁপে যেকোনও অপরাধীর। আমেরিকায় ৯/১১ হামলার পর দক্ষিণ কিউবায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কারাগারটি স্থাপন করা হয়। সেসময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ। ওই হামলার পর শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন মুসলিম। ধৃত এই ব্যক্তিদের অনেককে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর এই গোপন বন্দিশালায় রাখা হয়। সেখানে বুশ প্রশাসনের অনুমোদনে তাঁদের উপর জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্বিচারে নির্যাতন চালানো হত বলে নানা অভিযোগ রয়েছে। সেসময় ওই কারাগারে সর্বোচ্চ ৮০০ বন্দি ছিলেন। সন্ত্রাসদমনের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমার্থক কিউবার গুয়ান্তানামো বে কারাগার। এখনও জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে সেখানে সিআইএর থার্ড ডিগ্রির মুখে পড়েছে বহু নিরীহ মানুষ বলে অভিযোগ। এনিয়ে মার্কিন মুলুকেও কম জল ঘোলা হয়নি।

ফলে ট্রাম্প যে মানবাধিকারের তোয়াক্কা করেন না তা ফের একবার প্রমাণ হয়ে গেল এই নির্দেশে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের আশঙ্কা করা হচ্ছে, এবার এই ‘অনুপ্রবেশকারী’দের উপরও নির্বিচারে নির্যাতন চলবে। প্রসঙ্গত, দিন তিনেক আগে ট্রাম্পের পুলিশ হানা দেয় নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সির মতো শহরের গুরুদ্বারে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, এই গুরুদ্বারগুলো শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আখড়া হতে পারে। তাই এই অভিযান। এছাড়া এই কদিনে যে শয়ে শয়ে ‘অনুপ্রবেশকারী’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণের মতো অভিযোগ রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.