Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Donald Trump-Greenland

গ্রিনল্যান্ডে ‘গোল্ডেন ডোম’-এর বিরোধিতা কানাডার! ‘চিনই তো ওদের গিলে ফেলবে’, পালটা ট্রাম্পের

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন কারনি। আমেরিকার পর তাদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে কানাডা। দু'দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বেজিং-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২১:১৬

options
link
গ্রিনল্যান্ডে ‘গোল্ডেন ডোম’-এর বিরোধিতা কানাডার! ‘চিনই তো ওদের গিলে ফেলবে’, পালটা ট্রাম্পের zoom
কানাডাকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প। ফাইল চিত্র।

চিন ও রাশিয়ার ভ্রূকুটি ওড়াতে গত বছরই ‘সোনার সুরক্ষা বলয়’ বা ‘গোল্ডেন ডোম’ গড়ার কথা ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। এবার গ্রিনল্যান্ডেও (Greenland) সেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। কিন্তু তার বিরোধিতা করেছে কানাডা। এরপরই অটোয়াকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প। কানাডকে পালটা দিয়ে তিনি বলেন, “চিনই তো ওদের গিলে ফেলবে।”

গ্রিনল্যান্ড দখলে আগ্রাসী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপটিকে আমেরিকার দরকার বলে বারবার দাবি করেছেন তিনি। সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে ‘গোল্ডেন ডোম’ নির্মাণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। কিন্তু তার তীব্র বিরোধিতা করে কানাডা। এরপরই ফুঁসে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে তিনি লেখেন, ‘গ্রিনল্যান্ডে দ্য গোল্ডেন ডোম প্রকল্পের বিরোধিতা করেছে কানাডা। অথচ এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কানাডাকেও রক্ষা করবে। শুধু তাই নয়, কানাডা চিনের সঙ্গে ব্যবসা করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। চিন প্রথম বছরের মধ্যেই তাদের গিলে ফেলবে!’

Advertisement

গত বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামেও বক্তৃতা করতে গিয়ে গ্রিনল্যান্ডে ‘দ্য গোল্ডেন ডোম’ প্রকল্প নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “গোল্ডেন ডোমের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এটি কানাডাকেও সুরক্ষা প্রদান করবে। এরকম বহু সুযোগ সুবিধা বিনামূল্যে কানাডা আমেরিকার থেকে পায়। তাই ওদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি একেবারেই আমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।”

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন কারনি। আমেরিকার পর তাদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে কানাডা। দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বেজিং-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে কানাডা- চিনের সম্পর্ক নিয়ে কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.