Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Durga Puja 2025

দু’দেশের মৈত্রীর প্রতীক দুর্গাপুজো, এবার ক্রাইস্টচার্চের শারদোৎসবে শামিল নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

ইতিমধ্যে পুজো প্রস্তুতি নিয়ে প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ক্রিস্টোফার লুক্সন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:২৩

options
link
দু’দেশের মৈত্রীর প্রতীক দুর্গাপুজো, এবার ক্রাইস্টচার্চের শারদোৎসবে শামিল নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবাসে শারদোৎসব। তার রঙই আলাদা। গ্রামবাংলার কাশফুলে ভরা মাঠঘাট আর পেঁজা তুলোর মতো মেঘেঢাকা আকাশের ছবি সেখানে ধরা না পড়তে পারে। তবে উমা আগমনের গন্ধ ঠিকই ভেসে বেড়ায় ভুবনজুড়ে। কলকাতা থেকে ক্রাইস্টচার্চ – উৎসবের অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়ে যান প্রত্যেক বাঙালি। আর দুর্গাপুজোর রং, রূপ, ঐতিহ্যের ব্যাপকতা, ধারাবাহিকতাকে ‘ইনট্যানজিবেল ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’-এর তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। এবছর সেই আনন্দে শামিল হতে ক্রাইস্টচার্চের দুর্গাপুজোয় যোগ দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন ও তাঁর স্ত্রী আমান্ডা। ইতিমধ্যে পুজোর প্রস্তুতি নিয়ে তিনি ক্রাইস্টচার্চের বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠকও সেরেছেন।

কবি শঙ্খ ঘোষ লিখেছিলেন, ‘কে তোমার কথা শোনে?/ তুমিই-বা শোনো কার কথা?/ তোমার আমার মধ্যে দু-মহাদেশের নীরবতা।’ ভারত আর নিউজিল্যান্ড – দু’মহাদেশের দুই দেশের মধ্যে ভৌগলিক দূরত্ব ঢের, কিন্তু প্রাণের টানে তা অতি নিকট। সেই নিকট সম্পর্কের সূত্রপাত অবশ্য সেই ১৮২৬ সাল থেকে। দু’শো বছর ছুঁইছুঁই সেই সম্পর্ক। এ কী কম কথা? তা তো নয়। আর শুধু এই সম্পর্কই বা কেন? ঈশ্বরের উপাসনাতেও মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে দুই দেশ। এবছর শারদীয়া আগমনের আর বেশি সময় নেই। প্রবাসে এত তাড়াতাড়ি অবশ্য শারদ আমেজ আসে না। তবু বাঙালি মনকে বেঁধে রাখা দায়। ‘ক্রাইস্টচার্চ বেঙ্গলি কমিউনিটি’ তাই এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ক্রাইস্টচার্চের বাঙালি সম্প্রদায়ের দেবী আরাধনা।

আর এবছর তো তাদের আনন্দ বেড়ে গিয়েছে কয়েকগুণ। নিউজিল্যান্ডের খোদ প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন এই পুজোয় অংশ নিতে আগ্রহী। ইতিমধ্যে তিনি বাঙালিদের সঙ্গে কথাবার্তা সেরেছেন। পারস্পরিক সংস্কৃতি আদানপ্রদানের কথা বলেছেন। বাঙালির সেরা উৎসব নিউজিল্যান্ডে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও তো এনে দেয়। ভারতীয় ঐতিহ্য আর হিন্দু দর্শনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ দেখে এবছর শারদোৎসবের সূচনায় সস্ত্রীক আমন্ত্রণ করেছে পুজোর আয়োজকরা। সংস্থার তরফে অর্পণ মণ্ডল জানান, প্রধানমন্ত্রী লুক্সনকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকবির অবিস্মরণীয় রচনা – গীতাঞ্জলি। দেওয়া হয়েছে বিশেষ নকশার একটি ছাতা, যা কলকাতার বিখ্যাত মহেন্দ্র দত্ত অ্যান্ড সনসের তৈরি। এছাড়া বাংলার রন্ধনজাদুর সঙ্গে পরিচয় করাতে নানারকমের মিষ্টান্ন ছিল, যা প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।

পুজোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়া।

অর্পণ মণ্ডলের কথায়, ”এবছর আমাদের কাছে পুজোটা বিশেষ হতে চলেছে। গত এক দশকে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় বিশেষত বাঙালিয়ানা উদযাপনের বছর এটা। ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে আমরা এতদিন ধরে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। সমস্ত ক্রাইস্টচার্চবাসীকে ধন্যবাদ আমাদের নিজেদের উৎসব পালনে এতটা সাহায্য করার জন্য।” ক্রাইস্টচার্চের বাঙালি সম্প্রদায়ের তরফে অমরজিৎ সরকার বলছেন, ”২০২১ সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। আর তারপর থেকে শুধু বিশ্বের বাঙালিরা নন, রাষ্ট্রনেতারাও পুজো নিয়ে আগ্রহী। এখানে (নিউজিল্যান্ড) আমাদের পুজো নিয়ে উপ প্রধানমন্ত্রী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের উৎসাহই প্রমাণ করে যে তাঁরা আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি বেশি করে শ্রদ্ধাশীল, যা দু’দেশের সম্পর্ককে অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে।” আসলে এটাই বোধহয় উৎসবের মহিমা!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.