সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মীদের বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেন না এলন মাস্ক। যে কোনও কর্মীই তাঁর ক্ষতি করতে পারেন বলেই নাকি মনে করেন টুইটারের কর্ণধার। আর তাই নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে টুইটারের হেডকোয়ার্টারের শৌচালয়েও দুই দেহরক্ষী নিয়ে প্রবেশ করেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন টুইটারের এক কর্মী!
একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্যমকে টুইটারের (Twitter) এক ইঞ্জিনিয়ার জানান, হলিউড ছবির বডিগার্ডদের মতোই ভারী চেহারার, লম্বা দুই দেহরক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে ঘোরেন মাস্ক। ওই কর্মীর কথায়, “যখনই তিনি (এলন মাস্ক) অফিসে আসেন, তাঁর সঙ্গে অন্তত দু’জন দেহরক্ষী থাকেই। হলিউড ছবিতে যেমন দেখা যায়, তেমনই ভারী চেহারা, লম্বা দুই দেহরক্ষী নিয়ে ঘোরেন তিনি। এমনকী তাঁদের সঙ্গে নিয়ে শৌচালয়েও যান।”
[আরও পড়ুন: ইন্দোরের পিচকে ‘নিম্নমানের’ কেন বলা হচ্ছে? সিদ্ধান্ত বদলের জন্য আইসিসিকে চাপ BCCI-এর!]
এমনিতে বড় বড় বহুজাতিক সংস্থা তাঁদের সিইওদের সুরক্ষার জন্য দেহরক্ষী নিয়োগ করে থাকে। হাই-প্রোফাইল সিইওদের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়। কিন্তু মাস্ক (Elon Musk) যে কারণে দেহরক্ষী নিয়ে ঘোরেন, তার কারণ একটু আলাদা। ওই ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, আসলে কর্মীদের একেবারেই বিশ্বাস করেন না মাস্ক। তবে এখানেই থামেননি ওই কর্মী। তাঁর আরও দাবি, বাইরে থেকে টুইটারের অফিসকে যত সুন্দর, পরিচ্ছন্ন মনে হয়, আসলে কিন্তু তেমনটা নয়। অফিসের ভিতরের কলের মাথা থেকে পাইপ- অনেক কিছুই ফাটা আর ভাঙা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়েই তাঁদের কাজ করতে হয়।
উল্লেখ্য, খরচ কমাতে সম্প্রতি প্রায় ১৩০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে টুইটার। যা নিয়ে কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। আর তার পর থেকেই এলন মাস্ক এবং টুইটারের বিরুদ্ধে নানা তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করেছেন অনেকে।
[আরও পড়ুন: বাবা হওয়ার ক্ষমতা নেই বলেই বিয়ে করছেন না রাহুল গান্ধী! বিস্ফোরক বিজেপি নেতা]
সর্বশেষ খবর
-
‘রাজনৈতিক দলের উসকানি থেকে দূরে থাকা উচিত’, যাদবপুর কাণ্ডে মুখ খুললেন রাসবিহারীর বিধায়ক
-
চিনি সংকটে ভারতীয় বাজারে নজর পাকিস্তানের! শাহবাজ সরকারের কাছে আর্জি ব্যবসায়ীদের
-
‘আপনিই আমার প্রথম ক্রাশ’, সুনিধির মনের কথা শুনে আপসোস অমিতাভের!
-
কুলদীপের ‘রোগ’ ধরে ফেলেছেন ভারতের কোচ, ব্যর্থ হয়েও পরের টেস্টে খেলবেন?
-
‘কল্যাণমূলক নীতি’র পূর্বশর্ত ‘সক্ষমতা’, ‘ন্যূনতম মজুরি আইন’ চালুর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছিলেন নেহরু