সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্য ভেনেজুয়েলার কারাবোবো প্রদেশ । বিশেষ করে ভ্যালেন্সিয়া শহর যেন অপরাধীদের মুক্তাঞ্চল। ওই শহরের জেলগুলি কয়েদিতে ঠাসা। ফলে কারাগারগুলিতে আকছার সংঘর্ষ বাধে। বুধবার রাতে এমনই এক সংঘর্ষে মৃত্যু হয় অন্তত ৬৮ জনের।
[সঞ্চালিকার ভূমিকায় রূপান্তরকামী, পাক চ্যানেলের পদক্ষেপে প্রশংসা]
পুলিশ সূত্রে খবর, কারাবোবো পুলিশের সদর দপ্তরের একটি জেলে পুলিশ ও বন্দিদের মধ্যে ভয়ানক সংঘর্ষ শুরু হয়। করা হয় অগ্নিসংযোগ। ফলে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান অনেকে। আবার দমবন্ধ হয়ে মারা পড়েন বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনায় বন্দিদের সঙ্গে দেখা করতে আসা দুই মহিলা ও তিন শিশুরও মৃত্যু হয়। গুলির লড়াইয়ে আহত হয়েছেন এক পুলিশকর্মীও। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই কারাগারের ক্ষমতার থেকে প্রায় পাঁচগুণ বেশি বন্দি ছিল। ফলে পরিকাঠামো প্রায় ভেঙে পড়ে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নানা রোগের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রায়ই জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে বন্দিরা। রোগে মৃত বন্দিদের গণকবর দেওয়া হয় বলেও খবর।
এদিনের ঘটনা বন্দিদের জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা থেকেই ঘটেছে। বেশ কয়েকজন বন্দি জেল ভেঙে পালাতে গেলে তাদের আটকাতে যায় পুলিশ। ফলে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। বাকি বন্দিরা জেলের বিছানায় আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ স্টেশনে চড়িয়ে পড়ে আগুন। ছড়িয়ে পড়ে জেলের অন্দরেও। দমকল ও স্থানীয় মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এমনকি জেল ভেঙে কয়েকজনকে উদ্ধারও করা হয়। তবে ততক্ষণে নিহত হয়েছেন প্রায় ৬৮ জন। আহতদের অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে ক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন ‘আ উইন্ডো অন ফ্রিডম’ নাম একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধান।
[OMG! তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন বিজয় মালিয়া!]
কারাবোবো শহরের গভর্নর রাফায়েল লাকাভা ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তবে মৃতের সংখ্যা সরকারিভাবে ঘোষণা করেননি তিনি। টুইট করে তিনি বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। সেখানে বন্দিদের আত্মীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ দেখানো হয়েছে। অভিযোগ, প্রথমে মৃতের সংখ্যা দুই বলে জানায় পুলিশ। পড়ে প্রকাশে আসে আসল ঘটনা। এক মহিলা জানান, এক সপ্তাহ আগেই এই জেলে আনা হয় তাঁর ছেলেকে। বিচারাধীন বন্দি সে। এখনও তাঁর অপরাধ প্রমাণ হয়নি। তিনি জানেন না তাঁর ছেলে কি জীবিত না মৃত। তবে ভেনেজুয়েলায় এই ঘটনা প্রথম নয়। এর আগেও ২০১৭ সালে পুলিশ ও কয়েদিদের সংঘর্ষে মৃত্য হয় ৩৭ জনের। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ওই বছর প্রাণ হারান প্রায় ৬৫ জন বন্দি।
সর্বশেষ খবর
-
শহিদ দিবসে কর্মীদের জন্য ডিম-ভাতের আয়োজন ঋত শিবিরের! থাকবেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে
-
‘মূল্য চোকাতে হবে’, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন জওয়ানদের মৃত্যুতে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের
-
সিকিমে ভয়াবহ ভূমিধসে অবরুদ্ধ নির্মীয়মাণ টানেল, উদ্ধার ১৬ শ্রমিক
-
ইউক্রেনের বন্দরে জাহাজে ভয়াবহ হামলা! মৃত ৪ ভারতীয়, কড়া নিন্দা নয়াদিল্লির
-
প্রতিশ্রুতি মতো ৫০০ টাকা করে বাড়ল বার্ধক্য, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা, আগস্ট থেকেই কার্যকর