Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Armenia

নাগর্নো-কারাবাখের রাজধানীতে তুমুল গোলাবর্ষণ, ‘এগিয়ে আসছে’ আজারবাইজানের ফৌজ

নাগর্নো-কারাবাখ দখলে অভিযান আরও তীব্র করেছে আজারবাইজানের সামরিক বাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০২০, ১৩:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০২০, ১৩:১৮

options
link
নাগর্নো-কারাবাখের রাজধানীতে তুমুল গোলাবর্ষণ, ‘এগিয়ে আসছে’ আজারবাইজানের ফৌজ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বশাসিত বিতর্কিত অঞ্চল নাগর্নো-কারাবাখ দখলে অভিযান আরও তীব্র করেছে আজারবাইজানের (Azerbaijan) সামরিক বাহিনী। সোমবার পরপর চারটি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে অঞ্চলটির রাজধানী স্তেপানকার্ট শহর। তড়িঘড়ি ‘বম্ব শেল্টার’-এ আশ্রয় নেন বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, শুরু হয়েছে শহর দখলের লড়াই।

[আরও পড়ুন: করোনার চিকিৎসা চলাকালীন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ঘোরাঘুরি! ফের বিতর্কে ট্রাম্প]

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘Sputnik’ সূত্রে খবর, নাগর্নো-কারাবাখের দখল নিয়ে স্বঘোষিত স্বাধীন অঞ্চলটির সামরিক বাহিনী ‘আর্টসাক ডিফেন্স আর্মি’র সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ চলছে আজারবাইজানের সরকারি বাহিনীর। পাশাপাশি, আর্মেনিয়ার সঙ্গেও চলছে লড়াই। সম্প্রতি, সংঘর্ষবিরতির প্রস্তাবে ইয়েরেভান সম্মতি দিলেও নিজের অবস্থান বদলাতে রাজি হয়নি বাকু। ফলে দু’পক্ষের মধ্যে চলছে তুমুল সংঘর্ষ। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, রবিবার স্তেপানকার্ট ও সুসা শহরে গোলাবর্ষণে নিহত হয়েছেন চার নিরীহ নাগরিক। আহত হয়েছেন ১০ জন। তবে রাজধানী রক্ষায় মরণপণ লড়াই চলবে বলে জানিয়েছে, আর্টসাক বাহিনীর সদস্যরা। অসমর্থিত সূত্রে খবর, রাজধানী স্তেপানকার্ট রক্ষায় মিলিশিয়াদের মদত দিচ্ছে আর্মেনিয়ার (Armenia) বাহিনী।  

Advertisement

উল্লেখ্য, দিন সাতেক আগে নাগর্নো-কারাবাখ সংলগ্ন আর্মেনিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের দখল নিতে অভিযান চালায় আজারবাইজান সেনা। তাদের প্রতিরোধ করে ওই অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ আর্মেনীয় বাসিন্দাদের ২৫ হাজার সদস্যের মিলিশিয়া বাহিনী ‘আর্টসাক ডিফেন্স আর্মি’। এরপর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আর্মেনিয়ার ফৌজও। গত কয়েকদিনের লড়াইয়ে দু’পক্ষের বেশ কিছু ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। দু’পক্ষের কয়েকশো সেনার পাশাপাশি বহু অসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। আর্মেনিয়া হুমকি দিয়েছে, প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্রবাহী দূরপাল্লার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে। অধুনা বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই সদস্য দেশের লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বেশ কিছু দেশ। মুসলিম রাষ্ট্র আজারবাইজানকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ আর্মেনিয়ার প্রতি ঝুঁকে রয়েছে আমেরিকা, ফ্রান্স-সহ পশ্চিমী দুনিয়া এবং রাশিয়া।

[আরও পড়ুন: বিতর্কিত অঞ্চলের গ্রাম দখল আজারবাইজান সেনার, পালটা প্রতিরোধে দেশবাসীকে বার্তা আর্মেনিয়ার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.