২০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  মঙ্গলবার ৭ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ক্রাইস্টচার্চ হামলা থেকে উদ্বুদ্ধ, লাইভ স্ট্রিমিং করে সিনাগগে ঢুকে গুলি জার্মান যুবকের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 10, 2019 2:38 pm|    Updated: October 10, 2019 2:39 pm

German youth attacks at synagogue with live streaming kills 2

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাইভ স্ট্রিমিংয়ে বন্দুক চালাতে চালাতে ইহুদী উপাসনালয়ে ঢুকে ২ জনকে হত্যা করল বন্দুকবাজ। জার্মানির হেল শহরের সিনাগগের এই হামলা ফের মনে করিয়ে দিল এপ্রিলের নিউজিল্যান্ডের ঘটনা। যেখানে ঠিক একই কায়দায় মসজিদে হামলা চালিয়েছিল আততায়ীরা। মাত্র কয়েক মিনিটে ভিডিওটি এতবার দেখা হয়েছে যে বিপদ বুঝে সেটি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: সিরিয়ায় কুর্দ মিলিশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করল তুরস্কের ফৌজ]

বুধবারের ওই ঘটনার প্রায় মিনিট পঁয়ত্রিশের একটি ভিডিও হাতে এসেছে পুলিশের। যেখানে দেখা যাচ্ছে, সবুজ জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি নিজেকে ‘অ্যানন’ নামে পরিচয় দিয়ে বিশ্বের সাম্প্রতিক সমস্যাগুলির জন্য ইহুদীদের দায়ী করে চলেছে। তাকে বলতে শোনা গিয়েছে, নারীবাদের বাড়বাড়ন্ত অভিবাসন সমস্যা বাড়িয়ে তুলছে। এই সমস্ত সমস্যার মূল ইহুদীরাই। পুলিশের অনুমান, তার হাতে ছিল দেশি আগ্নেয়াস্ত্র। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সিনাগগের দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ে সে। সেখানে প্রার্থনারত এক মহিলাকে গুলি করে। তাঁর পাশে থাকা পুরুষটিও গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। যদিও ভিডিওর শেষ দিকে তাকে বারবার দুঃখপ্রকাশ করতেও শোনা গিয়েছে। কিন্তু এই দুঃখ কীসের জন্য, সে সম্পর্কে এখনও কোনও কিছু জানতে পারেননি তদন্তকারীরা।
খবর পেয়ে আততায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, যুবকের নাম বেনডর্ফ। তার বয়স ২৭ বছর। তাকে প্রাথমিক জেরায় পুলিশের অনুমান, ক্রাইস্টচার্চের হামলাই এই জার্মান যুবককে ধর্মীয় উপাসনালয় আক্রমণের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। মাথায় ক্যামেরা লাগিয়ে সে গোটা হামলার ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এটা ‘লোন উলফ’ হামলা অর্থাৎ সে একাই পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে, নাকি সংঘটিত আক্রমণ, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন পুলিশ আধিকারিকরা।

[আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানের পাশেই আছি’, ভারত সফরের প্রাকমুহূর্তেই বেসুরো জিনপিং]

তবে এদিনের ঘটনা বেশ কয়েকটি দিক থেকে চিন্তায় ফেলেছে ইহুদীদের। ইদানিং আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় ইহুদী বিদ্বেষ বাড়ছে, বিশেষত জার্মানিতে। সেখানে বসবাসকারী ইহুদীরা আর নিজেদের নিরাপদ বলে মনে করছেন না। যা উদ্বেগে ফেলেছে জার্মানি প্রশাসনকেও। বিদেশমন্ত্রী হেইকো মাস টুইটারে জানিয়েছেন, ‘এদেশে আমাদের ইহুদী বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। ঘটনায় হতাহতদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।’ চ্যান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মর্কেল ইহুদীদের আশ্বস্ত করতে বুধবার সন্ধেবেলা বার্লিনের একটি সিনাগগে যান।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে