Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
ফৌজিয়া কুফির উপর হামলা

তালিবান-আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতার মাশুল? জঙ্গি হামলার মুখে ফৌজিয়া কুফি

গুলিতে জখম তাঁর ডান হাত, হামলার দায় অস্বীকার তালিবান গোষ্ঠীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২০, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২০, ১০:০৫

options
link
তালিবান-আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতার মাশুল? জঙ্গি হামলার মুখে ফৌজিয়া কুফি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গি হামলার মুখে তালিবান-আফগানিস্তান সরকারের শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী একমাত্র সাহসী মহিলা ফৌজিয়া কুফি (Fawzia Koofi)। তবে বরাতজোরে বড়সড় ক্ষতি থেকে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ডান হাতে গুলি লেগেছে। আপাতত সংকটমুক্ত ফৌজিয়া কুফি। হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে নিন্দা জানাচ্ছেন সকলে। শান্তি প্রক্রিয়ায় কুফির সদর্থক ভূমিকার কারণেই তাঁর উপর এমন আক্রমণ বলে মনে করছে আফগান প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে। তালিবান সংগঠন যদিও হামলার দায় স্পষ্ট অস্বীকার করেছে।

গত শুক্রবার, আফগানিস্তানের উত্তরে পরওয়ান প্রদেশ থেকে এক বৈঠক সেরে বোনের সঙ্গে গাড়িতে ফিরছিলেন ফৌজিয়া কুফি। কাবুলের কাছে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় আততায়ীরা। তাঁর ডান হাতে লাগে। এছাড়া অন্য কোনও ক্ষতি হয়নি। তা সত্ত্বেও এ ধরনের হামলা শান্তিপ্রক্রিয়াকে (Peace Process) ব্যাহত করার একটা চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে। আফগানিস্তানে নিযুক্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি থেকে শান্তিপ্রক্রিয়া সমর্থনকারী – সকলেই এই একই সমালোচনায় মুখর। তবে এরপরও শান্তি স্থাপনের লক্ষ্যে কাজের গতি থামবে না বলে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ফৌজিয়া এবং তাঁর সমর্থনকারীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ওঁর চেয়ে আমার ভারতীয় সমর্থক অনেক বেশি’, কমলা হ্যারিসকে চ্যালেঞ্জ ট্রাম্পের]

আফগানিস্তানে তালিবানি অত্যাচারের সঙ্গে পরিচিত গোটা বিশ্ব। একসময়ে কাবুলে এদেরই শাসন কায়েম ছিল। সবরকম নাশকতামূলক কাজকর্ম এবং অবাধ হত্যাকাণ্ডে সিদ্ধহস্ত তালিবান জঙ্গিরা। ২০০০সালের পরবর্তী সময়ে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সমাজের মূল স্রোতে না ফিরে নিজেদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপেই মেতে ছিল তালিবান জঙ্গিগোষ্ঠী। প্রায় দু’দশক ধরে সরকার-তালিবান সংঘাতে কত মানুষের যে প্রাণ গিয়েছে, তার ঠিক। ফৌজিয়া কুফিদের কাজ ছিল, মধ্যস্থতা করে উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে দেশে স্থায়ী শান্তি স্থাপন। আমেরিকা-সহ আন্তর্জাতিক সংস্থার সাহায্য নিয়ে এমন অসাধ্য সাধনের পথে হেঁটেছিলেন কুফি। তিনিই মধ্যস্থতাকারী দলের একমাত্র মহিলা, যিনি সাহস করে তালিবান জঙ্গিদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি।

[আরও পড়ুন: ভয়াবহ বন্যার জের, খাদ্য সংকটের মুখোমুখি চিন!]

চুক্তির প্রাথমিক শর্ত অনুযায়ী, ৫০০০ তালিবান জঙ্গিকে জেলমুক্ত করবে আফগান সরকার। সেই প্রক্রিয়া চলছে ধাপে ধাপে। বৃহস্পতিবারই ৪০০ জনকে ছাড়া হয়েছে। আর শুক্রবার কুফির উপর এই হামলা। তালিবান গোষ্ঠী হামলার দায় অস্বীকার করলেও, তা মানতে নারাজ সকলে। শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীদের ধারণা, কুফিকে গুলি চালিয়েছে তারাই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.