Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
মসজিদে হামলা

নমাজের সময় মসজিদে বন্দুকবাজের হামলা, মৃত কমপক্ষে ১৬

এখনও পর্যন্ত বন্দুকবাজের পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ০৯:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ০৯:২৮

options
link
নমাজের সময় মসজিদে বন্দুকবাজের হামলা, মৃত কমপক্ষে ১৬ zoom
ঘটনাস্থলের বাইরে স্থানীয়দের ভিড়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নমাজের সময় মসজিদে ঢুকে হামলা চালাল এক বন্দুকবাজ। এর জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর উত্তরদিকে অবস্থিত ওউদালান প্রদেশের একটি মসজিদে। তবে এখনও পর্যন্ত হামলাকারী বন্দুকবাজের কোনও পরিচয় জানা যায়নি। এই ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে না সে পলাতক তাও পরিষ্কার করে জানায়নি প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত কোন জঙ্গি সংগঠন এর দায় স্বীকার না করলেও আল কায়দাকে সন্দেহ করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: নিউ ইয়র্কের বেআইনি ক্লাবে বন্দুকবাজের হামলা, নিহত অন্তত ৪]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহের মতোই এই শুক্রবার সন্ধেবেলাতেও আশপাশের এলাকার মানুষ স্যালমোসির ওই মসজিদে নমাজ পড়তে এসেছিলেন। প্রার্থনা চলাকালীন আচমকা সেখানে হামলা চালায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বন্দুকবাজ। এর জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১৩ জনের। পরে হাসপাতালে মারা যান আরও তিনজন। জখমদের মধ্যে দুজনের অবস্থা খুব খারাপ বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

Advertisement

ওই মসজিদের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত গোরম-গোরম শহরের এক বাসিন্দা জানান, আচমকা মসজিদের উপর এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রবল আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বেশিরভাগ মানুষই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই ওই এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালাচ্ছেন নিরাপত্তা রক্ষীরা।

[আরও পড়ুন:মোদি-জিনপিং সম্পর্কের ‘রসায়ন’ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ চিনা সংবাদমাধ্যমের]

বিশ্বের গরীব দেশগুলির অন্যতম বুরকিনা ফাসোয় জঙ্গি হামলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ২০১৫ সাল পর্যন্ত আল কায়দার মতো ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলি এই এলাকায় যথেষ্ট সক্রিয় ছিল। গত সেপ্টেম্বর মাসেই একটি জঙ্গি হামলায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৫ সাল পর আল কায়দার বাড়বাড়ন্ত কম থাকলেও প্রতিবেশী দেশ মালির একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর কারণে শান্তি অধরাই ছিল। গত চার বছরে হওয়া বিভিন্ন হামলা জঙ্গি, নিরাপত্তারক্ষী ও সাধারণ মানুষ মিলিয়ে প্রায় ৫৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.