Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Kartarpur Sahib

ইরাবতীর জলে ডুবল পাকিস্তান, ৭ ফুট জলের নিচে কর্তারপুর সাহিব

গুরু গ্রন্থ সাহেব নিয়ে যাওয়া হয়েছে দোতলায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৩:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৩:৪৪

options
link
ইরাবতীর জলে ডুবল পাকিস্তান, ৭ ফুট জলের নিচে কর্তারপুর সাহিব zoom
বন্যায় ভেসে গিয়েছে কর্তারপুর সাহিব।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একনাগাড়ে অতিভারী বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ অবস্থা পাকিস্তানের। বর্ষার মরশুমে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে প্রতিবেশী বেশি। এবার সেখান থেকেই সামনে এল ভয়ংকর ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের ইরাবতী নদীর জলস্তর বেড়ে কর্তারপুর কার্যত ভেসে গিয়েছে। সেখানে শিখদের পবিত্র গুরুদ্বারে ৫ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত জলে ভরে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, বৃষ্টির জেরে পাকিস্তানের সাগর বাঁধে অতিরিক্ত জল জমে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত জল ছেড়ে দেওয়া হয়। যার জেরেই ভেসে গিয়েছে কর্তারপুর সাহিব। পবিত্র এই গুরুদ্বারের লঙ্গর হল, পরিক্রমা, সরোবর ও সরাম একেবারে ডুবে গিয়েছে। নিচের তলা কার্যত জলের নিচে চলে যাওয়ায় গুরু গ্রন্থ সাহেব নিয়ে যাওয়া হয়েছে দোতলায়। অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ সুরক্ষিত থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। বন্যার জেরে ভারত-পাক সীমান্তে জিরো লাইন এলাকা জলের নীচে। ইরাবতী নদীর জল ধুসি বাঁধের উপর দিয়ে বইছে। যার জেরে আশেপাশের সমস্ত এলাকা প্লাবিত। বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ভারত-পাক সীমান্ত থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কর্তারপুর গুরুদ্বার। শেষবার এখানে বড় বন্যা হয়েছিল ২০২৩ সালে। সেবার বন্যা এত গুরুতর ছিল না। তবে এবারের পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর বলে মেনে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, শিখ ধর্মগুরু গুরু নানক তাঁর শেষ জীবন কাটিয়েছিলেন এখানেই। এখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। যার জেরে শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। অপারেশন সিঁদুরের ঠিক আগে এই করিডোর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ভারত সরকারের তরফে। তারপর থেকে ভারতীয়দের জন্য এখনও বন্ধ রয়েছে এটি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.