Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

চিড়িয়াখানায় ‘শেয়াল দেবতা’র আবির্ভাব, ছড়াল চাঞ্চল্য

তবে কি সত্যজিতের গল্পের শেয়াল দেবতা বাস্তব?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৭, ১২:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৭, ১২:৪৯

options
link
চিড়িয়াখানায় ‘শেয়াল দেবতা’র আবির্ভাব, ছড়াল চাঞ্চল্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল: পাঠকের মনে শেয়াল দেবতাকে অমর করে দিয়ে গিয়েছেন ফেলু মিত্তিরের স্রষ্টা সত্যজিত রায়। অর্ধেক মানুষ অর্ধেক শেয়াল, ‘আনুবিস’ নামের মিশরীয় দেবতাটিকে নিয়ে কল্পনার অন্ত নেই। তবে বাস্তব জীবনেই যে তার দেখা মিলতে পারে, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি কেউ। গভীর জঙ্গল বা মিশরের মরুভূমিতে নয়,  পাকিস্তানের করাচি শহরেই সাড়া ফেলেছেন ‘শেয়াল দেবতা’ থুড়ি ‘শেয়াল দেবী’।

[ক্যানসার ছত্রাক তাই সারবে বেকিং সোডাতেই, দাবি চিকিৎসকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীর্ঘদিন করাচির চিড়িয়াখানায় দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু অর্ধেক মানুষ অর্ধেক শেয়াল এক মহিলা। তাঁর নাম মুমতাজ বেগম। শুধুমাত্র তাঁকে দেখার জন্যই দূর-দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন হাজার হাজার মানুষ। চিড়িয়াখানার একটি কাচ ঘেরা জায়গায় বসে থাকেন শেয়াল দেবী। যদিও চিড়িয়াখানাটিতে বাঘ ও সিংহের মতো অন্যান্য জন্তুর অভাব নেই, তবুও তাঁকে দেখার জন্য শুরু থেকেই মুখিয়ে থাকেন দর্শকরা। তবে কি বিজ্ঞান মিথ্যে? এতদিনের গবেষণা বিফল! জীববিজ্ঞানীরাও কি শেয়াল দেবীর অস্তিত্বই স্বীকার করে নিয়েছেন?

গল্প এখনও শেষ হয়নি। ‘শেয়াল দেবীর’ নেপথ্যে যে সত্যিটা রয়েছে তা জানলে হতবাক হয়ে যাবেন আপনিও। তা কী সেই সত্যি? পাকিস্তানের বিখ্যাত শেয়াল দেবী আসলে মুরাদ খান  নামে এক ব্যক্তি। তিনিই ওই ছদ্মবেশে দিনের ১২ ঘন্টা চিড়িয়াখানায় থাকেন। এর জন্য পারিশ্রমিক পান তিনি। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মুরাদ জানিয়েছেন, তাঁর বাবাও ওই চিড়িয়াখানায় শেয়াল দেবীর অভিনয় করতেন।

[এই শহরেই তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম সমুদ্রে ভাসমান রেস্তরাঁ]

চিড়িয়াখানাটির ডিরেক্টর মহম্মদ ফাহিম খান জানিয়েছেন, শেয়াল দেবীর আবির্ভাবের নেপথ্যে ছিলেন সার্কাসের কয়েকজন ব্যক্তি। প্রায় ৪০ বছর আগে জনতার মন জয় করতে তাঁরাই তৈরি করেন অদ্ভুতদর্শন এই প্রাণীটিকে। অনেকেই নাকি শেয়াল দেবী হওয়ার জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। তবে সাধারণত পুরুষদেরই এই কাজের জন্য রাখা হয়। যোগ্যতা বলতে জানতে হবে বেশ কয়েকটি স্থানীয় ভাষা ও ঠায় বসে থাকার ক্ষমতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.