Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Gaza

যুদ্ধবিরতিতেও জারি ইজরায়েলের মৃত্যুবাণ, গাজায় খতম ৭ অক্টোবরের মাস্টারমাইন্ড হামাস কমান্ডার

হামাসের দাবি, এই হামলা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১৭:০৬

options
link
যুদ্ধবিরতিতেও জারি ইজরায়েলের মৃত্যুবাণ, গাজায় খতম ৭ অক্টোবরের মাস্টারমাইন্ড হামাস কমান্ডার zoom
হামলার পর ছিন্নভিন্ন গাড়ি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধবিরতি সম্পন্ন হলেও গাজার মাটিতে আজও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। এবার তেমনই এক অভিযানে খতম হামাসের শীর্ষ কমান্ডার রায়েদ সাদ। রবিবার এই হামলা ও মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন গাজার হামাস প্রধান আল-হইয়া। অক্টোবরে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর এই প্রথম হামাসের কোনও শীর্ষ কমান্ডারের মৃত্যু হল ইজরায়েলের হামলায়।

এই হামলার কথা জানিয়ে শনিবার বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল ইজরায়েলের তরফে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) ও শিন বেট নিরাপত্তা সংস্থার তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, হামাসের সামরিক শাখার অস্ত্র উৎপাদন ও পরিচালনার প্রধান রায়েদ সাদের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েল সেনার মতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের তরফে যে হামলা চালানো হয়েছিল সেই হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন রায়েদ সাদ। সেনার দাবি, এই জঙ্গিনেতা যুদ্ধবিরতি চলাকালীন অস্ত্র তৈরি ও হামাসকে শক্তিশালী করার কাচজে নিযুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে হামাসের দাবি, এই হামলা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন।

Advertisement

হামাসের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, পশ্চিম গাজা শহরে একটি গাড়িতে হামলা-সহ গাজার মাটিতে যে হামলাগুলি চালানো হয়েছে এবং হচ্ছে তা ট্রাম্পের শান্তিচুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। গাজার নাগরিক, নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিশানা করছে ইজরায়েল। এদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, শনিবার গাজায় একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই হামলায় নিহত হন ওই হামাস কমান্ডার। তাঁর ও ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে এই হামলা চলে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সাল থেকে ভয়ংকর যুদ্ধের জেরে কার্যত নরককুণ্ডে পরিণত হয়েছে গাজা। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরই এই যুদ্ধ থামাতে উদ্যত হন। ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে বেশ কয়েক দফা যুদ্ধবিরতি হলেও স্থায়ী শান্তি আসেনি। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথ দেখাতে ‘গাজা পিস প্ল্যান’ প্রস্তুত করেন ট্রাম্প। যা রাষ্ট্রসংঘে পাশও হয়ে গিয়েছে। শান্তি প্রস্তাবে যে ২০টি পয়েন্টের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, গাজায় একটি অন্তর্বতী দল তৈরি হবে। তারা গাজায় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি শোধরানোর চেষ্টা করবেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নামানো হবে আন্তর্জাতিক সেনা। সেখানকার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা দেখবে এই বাহিনী। চলবে নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া। এর পাশাপাশি গাজায় নতুন সরকার গঠন করতেও উদ্যোগ নেবে রাষ্ট্রসংঘ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.