Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Benjamin Netanyahu

বাইডেনের সঙ্গে কথা নেই নেতানিয়াহুর, সংঘাতের মূলে তিনটি শব্দ মাত্র!

গাজায় প্যালেস্তিনীয়দের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪, ১৬:৩০

options
link
বাইডেনের সঙ্গে কথা নেই নেতানিয়াহুর, সংঘাতের মূলে তিনটি শব্দ মাত্র! zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন নাকি কথা বলেন না ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এই কথা জানালেন ইহুদি দেশটির রাষ্ট্রনেতা। খোলসা করলেন ‘বন্ধু’ বাইডেনের সঙ্গে ‘মনোমালিন্যের’ আসল কারণ। এই সংঘাতের মূলে নাকি রয়েছে মাত্র তিনটি শব্দ। গাজায় ইজরায়েলি সেনার হামলায় প্যালেস্তিনীয়দের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আমেরিকা। সেই থেকেই কূটনৈতিক মহলে কানাঘুষো শুরু হয়েছে, ইজরায়েলের পাশ থেকে সরে আসতে চাইছে আমেরিকা! এই প্রেক্ষিতে এমন কোন কথার জন্য দুরত্ব বাড়ল দুই নেতার মধ্যে? কী জানালেন নেতানিয়াহু?     

রয়টার্স সূত্রে খবর, গত রবিবার ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ইজরায়েলের (Israel) প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রয়োগ করা তিনটি শব্দই নাকি তাঁদের মনোমালিন্যের কারণ। গাজায় ইজ়রায়েলের হামলাকে তিনটি শব্দে ব্যাখ্যা করেছিলেন বাইডেন। সেই শব্দগুলো হল ‘ওভার দ্য টপ’। এনিয়েই নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে আমেরিকা আমাদের পাশে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের (Joe Biden) এই সমর্থনে আমরা আপ্লুত। আমি তাঁর সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। কিন্তু ওই তিন শব্দের মাধ্যমে বাইডেন ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন তা আমি জানি না। সেদিনের পর থেকে ওঁর সঙ্গে আমি আর কথা বলিনি।’’   

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাতের অন্ধকারে প্যালেস্তিনীয়দের ‘শেষ আশ্রয়’ রাফায় অগ্নিবৃষ্টি ইজরায়েলের, মৃত অন্তত ৩৭]

উল্লেখ্য, ইজরায়েলের হামলায় গাজায় মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মহিলা ও শিশুও। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বাইডেন। গত বছরে ডিসেম্বরে গাজায় প্যালেস্তিনীয়দের মৃত্যু নিয়ে তিনি ফোনে কথা বলেছিলেন নেতানিয়াহুর সঙ্গে। সেই সময়ই হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েলি ফৌজের হামলাকে ‘ওভার দ্য টপ’ বলেছিলেন তিনি। যার অর্থ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েল। বিশ্লেষকদের মতে, বাইডেনের এই মন্তব্য ভালোভাবে নেননি নেতানিয়াহু। সেসময় তিনিও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত লড়াই চলবে।  

বলে রাখা ভালো, গাজায় মৃত্যুমিছিল রুখতে রাষ্ট্রসংঘে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল। রক্তপাত থামাতে উদ্যোগী হয়েছিলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। কিন্তু আমেরিকার ভেটোতেই তা আটকে যায়। ওয়াশিংটনের যুক্তি ছিল, এই প্রস্তাবে যুদ্ধের ময়দানে পরিস্থিতি কিছুই পালটাবে না। বাস্তব থেকে যোজন দূরে এই প্রয়াস। এটা অর্থহীন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিতে হামাসকে (Hamas) চিরতরে মুছে ফেলার পণ করেছে ইজরায়েল। জঙ্গিদের নিকেশ করতে গাজায় তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। ইতিমধ্যে চার মাসের যুদ্ধে প্রাণ গিয়েছে প্রায় ২৮ হাজার মানুষের।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.