Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে বিপর্যয়, বন্যা বিধ্বস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট এবং বেশ কয়েকটি ব্রিজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ০৯:২৭

options
link
টানা বৃষ্টিতে বিপর্যয়, বন্যা বিধ্বস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্যা বিধ্বস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সরকারি হিসাবে রবিবার পর্যন্ত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও ৩৮। বন্যা ও ভূমিধসে এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৩৫ জন। দেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে জনজীবন থমকে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: মিলেছে ইতিবাচক ইঙ্গিত, কর্তারপুর করিডর নিয়ে ভারতকে সহযোগিতার বার্তা পাকিস্তানের]

Advertisement

বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ২৫টি জেলা। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১০,৩৮৫টি বাড়ি। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। বন্যা বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে ১১০৪ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র কাঠমান্ডু থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ১৮৫ জনকে। উদ্ধারকাজে মোট ২৭,৩৮০ জন পুলিশকর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট এবং বেশ কয়েকটি ব্রিজ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পর্দায় দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন এলাকায় ডুবে গিয়েছে ঘরবাড়ি। শুধু জলের উপর জেগে রয়েছে বাড়ির চাল। অনেক জায়গায় বুক-জল সাঁতরে মাথায় করে জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এগিয়ে চলেছেন বাসিন্দারা।  

যদিও এখনই পরিস্থিতির উন্নতির কোনও সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্ষা সক্রিয় রয়েছে। আগামী দু-তিন দিন এখনও একই ভাবে ভারী বৃষ্টি হবে। ফলে দেশের অন্যত্রও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। যার প্রভাব পড়বে সড়ক ও আকাশ পথে পরিবহণ ব্যবস্থায়। লাগাতার বৃষ্টিতে বাগমতি, কমলা, সপ্তকোশি ও সানকোশি নদীর জল বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে। শনিবার রাতে ছ’ঘণ্টার জন্য ভারত-নেপাল সীমান্তের কোশী ব্যারেজের ৫৬টি স্লুইস গেট খুলে মোট ৩৭১,০০০ কিউসেক জল বার করা হয়েছে যা গত ১৫ বছরের রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক। আবহাওয়াবিদদের মতে, পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে বৃষ্টির ধরনও। দীর্ঘ অনাবৃষ্টির পর স্বল্প সময়ে লাগাতার ভারী বৃষ্টি এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: কয়লা খনির গ্রাসে জঙ্গল! আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অসম যুদ্ধে জার্মানির ত্রিমূর্তি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.