২৪ চৈত্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

প্রয়াত মিশরের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হোসনি মুবারক

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: February 25, 2020 6:43 pm|    Updated: February 25, 2020 6:43 pm

An Images

হোসনি মুবারক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত হলেন মিশরের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হোসনি মুবারক (Hosni Mubarak)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। মঙ্গলবার দুপুরে মিশরের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলের তরফে দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর কথা ঘোষণা করা হয়। খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। স্বেচ্ছাচারী শাসকের মৃত্যুতে কেউ আনন্দ করছেন তো কেউ তাঁর স্মৃতিতে ফেলছেন চোখের জল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে হোসনি মুবারকের শরীরে একটি জটিল অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই প্রচণ্ড অসুস্থ ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কায়রোর একটি সামরিক হাসপাতালে ভরতি করা হয়। কিছুক্ষণ বাদে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

[আরও পড়ুন: দিল্লির হিংসায় লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, গুলিবিদ্ধ সাংবাদিকও]

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯২৮ সালের ৪ মে মিশরে জন্ম নিয়েছিলেন হোসনি মুবারক। পড়াশোনা শেষ করার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দেশের বায়ুসেনাতে একজন কমান্ডার হিসেবে কাজ করেন। তারপর ১৯৭৫ সালে দেশের উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু, ১৯৮১ সালে মিশরের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাদাতকে সামরিক প্যারেড চলাকালীন গুলি করে মারা হয়। এরপর ১৪ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি পদে বসেন হোসনি মুবারক।

[আরও পড়ুন: করোনার কবলে ‘ডায়মন্ড প্রিন্সেস’, ভারতীয়দের উদ্ধারে যাচ্ছে চার্টার্ড বিমান]

 

১৯৮১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ৩০ বছর মিশরের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলান তিনি। তাঁর শাসনকালেই আধুনিক মিশরের জন্ম হয়েছিল বলে দাবি করেন অনুগামীরা। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, মুবারক নিজেকে ফারাও মনে করতেন। তাই দেশের বেশিরভাগ মানুষ তাঁকে মন থেকে পছন্দ করতেন না। ২০১১ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতৃত্বে গণ আন্দোলন শুরু হয় মিশরে। বেশ কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ চলার পর ক্ষমতাচ্যুত হন হোসনি মুবারক। তারপর দুর্নীতি-সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে তাঁকে জেলে পাঠায় গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত হওয়া সরকার। কিন্তু, ২০১৩ সালে সামরিক অভ্যুথানের ফলে ক্ষমতা হারায় নির্বাচিত সরকার। তারপরই হোসনি মুবারকের উপর থেকে সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement