Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

দৃঢ় হচ্ছে সম্পর্ক, এবার হটলাইনে কথা বলবে ভারত ও চিনের সেনা

মোদি-জিনপিং বৈঠকের পরেই কাটছে জট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৮, ১৩:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৮, ১৩:১৬

options
link
দৃঢ় হচ্ছে সম্পর্ক, এবার হটলাইনে কথা বলবে ভারত ও চিনের সেনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোদি-জিনপিং ঘরোয়া বৈঠকের পরেই গলছে বরফ। দীর্ঘদিনের প্রস্তাব থাকলেও এতদিন তা বাস্তবায়িত করা যায়নি। তবে তিক্ততা ভুলে এবার হয়ত দুই দেশের সেনার মধ্যে হটলাইন পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত ও চিন। মঙ্গলবার এমনই খবর জানা গিয়েছে চিনের সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

[  অসুস্থ টেডির চিকিৎসা করছে হাসপাতাল! ব্যাপারটা কী? ]

Advertisement

সম্প্রতি দু’দিনের জন্য চিন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোনও সরকারি সফর নয়, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নিতান্তই ঘরোয়া বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সূত্রের খবর ছিল, সেই বৈঠকে আলোচনার বিষয় ছিল দু’দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা। চিনা সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস সূত্রে খবর, বৈঠকে উঠেছিল দুই দেশের সেনা হেড কোয়াটার্সের মধ্যে হটলাইন পরিষেবা চালু করার বিষয়টিও। যাতে সহমত পোষণ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই।

 রং-তুলিতে স্বপ্নের বুনোট দুধের শিশু, কত দামে ছবি বিক্রি হল জানেন? ]

ভারত ও পাকিস্তান সেনার ডিরেক্টর জেনারেলস অফ মিলিটারি অপারেশন বা ডিজিএমও-দের মধ্যে হটলাইন পরিষেবা চালু রয়েছে। কিন্তু ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও পরিষেবা চালু হয়নি। তবে ২০১৩-তে ভারত-চিনের মধ্যে হওয়া বর্ডার ডিফেন্স কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট বা বিডিসিএ-তে প্রথম উল্লেখ করা হয়েছিল এই হটলাইন পরিষেবার বিষয়টি। ভারত-চিনের মধ্যে থাকা ৩৪৮৮ কিলোমিটার বিস্তৃত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি বজায় রাখার জন্যই এই চুক্তি হয়েছিল। তবে তাল কাটতে শুরু করেছিল গত বছরের ১৬ জুন থেকে। ডোকলাম নিয়ে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিল ভারত ও চিনা সেনা। দুই দেশের সেনার মধ্যে দীর্ঘ ৭৩ দিনের গরমাগরম বাদানুবাদের পর ২৮ আগস্ট কেটেছিল ডোকলাম সমস্যার জট।

সেনার মধ্যে এই হটলাইন পরিযেবা চালু হলে আরও দৃঢ় হবে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। এমনই মনে করছেন চিনের সেনা বিশেষজ্ঞরাও। ডোকলাম সমস্যা মাথাচাড়া দেওয়ার ফলে গত বছর যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে পারেনি ভারত ও চিনা সেনা। এবার তাও সম্ভবপর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.