Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
Fake Brides

মহিলার অভাব, বিয়ের জন্য হাহাকার! নিঃসঙ্গ পুরুষদের কীভাবে ফাঁসাচ্ছে ‘ভুয়ো’ কনেরা?

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'বিবিসি'র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধরনের সংস্থাগুলি পুরুষদের পাত্রী খুঁজে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। আলাপ করিয়ে দেয় বিভিন্ন মহিলাদের সঙ্গে। এরপর কোনও মহিলাকে মনে ধরলে শুরু হয়ে যায় বিয়ের আলোচনা। তারপরই আসল খেলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৯:৩২

options
link
মহিলার অভাব, বিয়ের জন্য হাহাকার! নিঃসঙ্গ পুরুষদের কীভাবে ফাঁসাচ্ছে ‘ভুয়ো’ কনেরা? zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

‘দাদা পায়ে পড়ি রে মেলা থেকে বউ এনে দে’ – চিনে বিয়ের বাজারে চাহিদা এবং জোগানের হিসাবটা বেশ কঠিন! পাত্রের সংখ্যা অনেক, কিন্তু পাত্রী কম। ফলে বিয়ের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন বহু নিঃসঙ্গ পুরুষ। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে এক শ্রেণির অপরাধী। বউ খুঁজতে গিয়ে শেষমেশ পকেট ফাঁকা হচ্ছে পাত্রের!

চিনে দীর্ঘদিনের ‘এক সন্তান নীতি’ এবং পুত্রসন্তানদের অগ্রাধিকারের কারণে নারী-পুরুষের সংখ্যার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ফলে বহু পুরুষের জন্য উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বর্তমানে চিনে পুরুষের সংখ্যা নারীর থেকে প্রায় ৩ কোটি বেশি।বিয়ের তাগিদে অনেকেই বিভিন্ন এজেন্ট বা ম্যারেজ সংস্থার মাধ্যমে পাত্রী খোঁজেন। আর সেখানেই সুযোগ নিচ্ছে ‘ভুয়ো’ কনেরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধরনের সংস্থাগুলি পুরুষদের পাত্রী খুঁজে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। আলাপ করিয়ে দেয় বিভিন্ন মহিলাদের সঙ্গে। এরপর কোনও মহিলাকে মনে ধরলে শুরু হয়ে যায় বিয়ের আলোচনা। তারপরই আসল খেলা। ‘বিয়ের খরচ’, ‘উপহার’ -সহ বিভিন্ন অছিলায় পুরুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করতে থাকেন ‘ভুয়ো’ কনেরা। প্রেম-বিয়ের স্বপ্নে বিভোর পাত্র অনেক সময়তেই সেই অর্থ দিয়ে দেন। তারপরই গল্পের বিস্ময়কর ‘ক্লাইম্যাক্স’। আচমকাই ফোন বন্ধ, মেসেজের উত্তর নেই – টাকা নিয়ে চম্পট দেন কনেরা। শেষ পর্যন্ত বিয়ে তো হয়ই না, বরং সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যান পুরুষরা।

এরকমই এক গল্প ৩৭ বছর বয়সি ওয়াং ঝুয়াং-এর। এই বয়সে এসে তিনি বিয়ের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি একটি বিবাহ সংস্থার বিজ্ঞাপন দেখতে পান। অভিযোগ, সংস্থাটি তাঁকে পাত্রী খুঁজে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা তিনি সংস্থাটিকে দেন। এর মধ্যে ছিল সংস্থার ফি, পাত্রীপক্ষকে দেওয়া অর্থ এবং বিয়ের অন্যান্য খরচ। মাত্র ৮-১০ মিনিটের মধ্যে তিনি ৪-৫ জন মহিলার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর একজনকে বিয়ে করতে রাজি হন।

কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পরেই, ওয়াং কয়েকজন ঋণ আদায়কারীদের কাছ থেকে ফোন পেতে শুরু করেন। জানা যায় যে, তাঁর স্ত্রীর আগে তিনবার বিয়ে হয়েছিল, তাঁর তিনটি সন্তান রয়েছে। গুরুতর যৌনরোগে তিনি ভুগছেন। বিয়ের আগে মহিলা ঋণে জর্জরিত ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই তিনি বিবাহবিচ্ছেদের প্রস্তাব দেন। কিন্তু টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। এরপর ওয়াং হতাশ হয়ে সেই সংস্থার ঠিকানায় গেলে বিস্মিত হয়ে যান। দেখেন, সংস্থার অফিস আর সেখানে নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.