Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বালাকোটে জঙ্গি সংখ্যা কত ছিল? নতুন রিপোর্টে ফের তুঙ্গে জল্পনা

তিনটি স্তরে প্রশিক্ষণ নিতে জমায়েত হয়েছিল জঙ্গিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ২১:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ২১:০৫

options
link
বালাকোটে জঙ্গি সংখ্যা কত ছিল? নতুন রিপোর্টে ফের তুঙ্গে জল্পনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার অভিযানে কতজন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে?  এই প্রশ্নে তোলপাড়ের মধ্যেই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এক রিপোর্ট প্রকাশ করে জানাল অন্য এক তথ্য। তিনশো বা সাড়ে তিনশো নয়, বালাকোটের ওই জইশ ঘাঁটিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের সামরিক অভিযানের আগে জড়ো হয়েছিল ২৬৩ জন জঙ্গি। সকলে গিয়েছিল জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে।

[আমেরিকার নাকের ডগাতেই ছিল মোল্লা ওমর! প্রকাশ্যে সিআইএ-র ব্যর্থতা]   

Advertisement

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বালাকোটের দৌড়া-ই-আম অর্থাৎ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ছিল ৮৩ জন, দৌড়া-ই-খাস অর্থাৎ পরবর্তী পর্যায়ের প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য ৯১ জন ছিল এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ বা ফিঁদায়ে হামলার খুঁটিনাটি শিখতে গিয়েছিল ২৫ জন। আর এদের সকলকে প্রশিক্ষণের জন্য ছিল জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষস্তরের নেতারা। ওই রিপোর্টে আরও প্রকাশ, ঘটনার ৫ দিন আগে থেকেই বালাকোটে জইশের ওই ঘাঁটিতে জড়ো হয়েছিল ২৬৩ জন। ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার পরেরদিন ভোরেই ভারতীয় বায়ুসেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয় এবং জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে যায় বলে দাবি। প্রাথমিকভাবে খবর ছড়িয়ে ছিল যে ভারতের ওই অভিযানে তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে খোদ এয়ারস্ট্রাইকের নেতৃত্বে থাকা এয়ার চিফ মার্শাল এবং বায়ুসেনা প্রধান,দু’জনই স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মৃতের সংখ্যা গোনেনি বায়ুসেনা। সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য আছে একমাত্র সরকারের হাতেই। তা প্রকাশ করা সরকারের সিদ্ধান্ত।

[রাখে হরি মারে কে! দু’মিনিটের দেরিতে প্রাণে বাঁচালেন ‘অভিশপ্ত’ বিমানের যাত্রী]

বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার অভিযানের পর পাকিস্তানের তরফে দাবি করা হয়েছিল, কোনও ক্ষতিই হয়নি। সেখানে সবই ঠিকঠাক আছে। শুধু ভারতীয় যুদ্ধবিমান মিরাজ ২০০০ থেকে বোমা নিক্ষেপের ফলে সেখানকার পাইন গাছের ক্ষতি হয়েছে। মারা গিয়েছে কয়েকটি কাক। তবে পাক প্রশাসনের দাবি খারিজ করে জইশ সূত্রই জানিয়েছে, তাদের ঘাঁটি নষ্ট হয়েছে। স্যাটেলাইট ছবিতেও জঙ্গি ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ছবিও স্পষ্ট। তবে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এত জল্পনার মাঝে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট নিঃসন্দেহে নতুন করে জল্পনা উসকে দিচ্ছে। তবে ওই রিপোর্টে এও স্পষ্ট নয় যে যারা প্রশিক্ষণের জন্য বালাকোটের ঘাঁটিতে জড়ো হয়েছিল, ভারতের এয়ারস্ট্রাইকে তাদের মৃত্যু হয়েছে কি না।    

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.