Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Imran Khan

মিলল না স্বস্তি, জামিন পেতে না পেতেই ফের গ্রেপ্তার ইমরান-বুশরা

বেআইনি বিয়ে মামলার স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে তোষাখানা মামলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৪, ১২:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৪, ১২:৪৭

options
link
মিলল না স্বস্তি, জামিন পেতে না পেতেই ফের গ্রেপ্তার ইমরান-বুশরা zoom
আরও অস্বস্তিতে ইমরান
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবারই বেআইনি বিয়ে মামলায় তাঁদের অব্যাহতি দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সেই স্বস্তির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গ্রেপ্তার হলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবি। তোষাখানা মামলায় এই গ্রেপ্তারি। রবিবার আদিয়ালা জেলের তিন নম্বর গেট দিয়ে বাইরে বেরনোর আগেই ইমরান জায়াকে আটক করে ন্যাব তথা ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো। আপাতত এখানেই জেরা করা হবে দুজনকে। এমনটাই জানা যাচ্ছে পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

উল্লেখ্য, তোষাখানা মামলায় ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট গ্রেপ্তার হন ইমরান (Imran Khan)। হাজতবাসের পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ১ লক্ষ টাকার জরিমানাও করা হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, পাঁচ বছর কোনও নির্বাচনেও লড়তে পারবেন না তিনি। সেই থেকেই জেলবন্দি পিটিআই সুপ্রিমো। কিন্তু শনিবার বেআইনি বিয়ে মামলায় অব্যাহতি পেতেই উজ্জ্বল হয়েছিল খান দম্পতির রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা। যদিও ধোঁয়াশা ছিল। কিন্তু রবিবার পরিষ্কার হয়ে গেল মুক্তি আপাতত পাওয়া হচ্ছে না ইমরান-বুশরার। এদিন ফের তোষাখানা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে দম্পতিকে। জানা গিয়েছে, ব্যুরোর চেয়ারম্যানের ইস্যু করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই গ্রেপ্তারি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ট্রাম্পের জনসভায় প্রাণঘাতী হামলা, কড়া নিন্দা বাইডেন-ওবামা-মাস্কের]

এদিকে বুশরা বিবির গ্রেপ্তারি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া বিরোধী নেতা ওমর আয়ুব খানের। তিনি আদিয়ালা জেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। পাশাপাশি জেল সুপারিটেন্ডেন্টকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

কী এই তোষাখানা মামলা? ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি পদের অপব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া উপহার সামগ্রী সরকারি ভাণ্ডার বা তোষাখানায় জমা না করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি বলে অভিযোগ। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা যে সমস্ত উপহার দেন, সেগুলি পাক তোষাখানায় জমা হয়।

[আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সভায় বন্দুকবাজের হানা, গুলি ছুঁয়ে গেল কান! রক্তাক্ত বর্ষীয়ান নেতা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.