Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
পাকিস্তান

রাজকোষ গড়ের মাঠ, লকডাউন তুলে দিচ্ছে ‘ফতুর’ পাকিস্তান   

৯ মে থেকে লকডাউন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত ইমরানের।    

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২০, ১৫:১৫

options
link
রাজকোষ গড়ের মাঠ, লকডাউন তুলে দিচ্ছে ‘ফতুর’ পাকিস্তান    zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানে কিছুতেই থামছে না করোনা ভাইরাসের মৃত্যুমিছিল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেকারত্ব, অন্ন জোগানের সমস্যা ও চরম অর্থ সংকট। এহেন পরিস্থিতিতে আগামীকাল অর্থাৎ ৯ মে থেকে লকডাউন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।    

[আরও পড়ুন: করোনা LIVE UPDATE: কলকাতার CISF কর্মীর মৃত্যুর পর মিলল করোনা পজিটিভ রিপোর্ট]

Advertisement

সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মত, দিনের পর দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ করে রাখলে মানুষ না খেয়ে মরবে। তাই ভাইরাসের ভয়ে লোকজনকে আটকে না রেখে অর্থনীতি খুলে দেওয়াই শ্রেয়। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে ইমরান বলেন, “‘অনেক হয়েছে। শনিবার থেকে আমরা ধাপে ধাপে লকডাউন তুলে নেব। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও নিরুপায় হয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা উন্নয়নশীল দেশ। দীর্ঘদিন লকডাউনের ফলে আমাদের রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। রাজকোষের সীমিত অর্থ দিয়েই জনকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছি আমরা। এক্ষেত্রে লকডাউনে প্রভাবিত সবাইকে মদত দেওয়া সম্ভব নয়।” সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলেও WHO-এর নির্দেশিকা উড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন, রাজকোষ প্রায় গড়ের মাঠ। তাই বাধ্য হয়েই সরকারকে অর্থনীতি ফের সচল করতে হবে। 

এদিকে, বৃহস্পতিবারই পাকিস্তানে রেকর্ড করোনা সংক্রমণ হয়েছে। একদিনে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫২৩ জন মানুষ। তার পরেও এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে ইমরান জানান, দেশের বড় সংখ্যক গরিব মানুষ, দিনমজুর এই লকডাউনে জীবন অতিবাহিত করতে পারছেন না। জীবিকা হারিয়ে তাঁরা চরম অর্থকষ্টে রয়েছেন। ঘরে হাঁড়ি চড়ছে না। তাই নিরুপায় হয়েই সরকারকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার পর্যন্ত সে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৩৭। মৃত্যু হয়েছে ৫৯৪ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৭ হাজার ৫৩০ জন। 

[আরও পড়ুন: কীভাবে ছড়াল করোনা? চিনে গিয়ে উৎস খুঁজতে চায় WHO]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.