৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর-সহ সব বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফের প্রস্তাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। লোকসভা নির্বাচনে জেতার জন্য এর আগে দু’বার মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইমরান। প্রথমবার টুইটারে এবং দ্বিতীয়বার ফোনে৷ ভারতের পাক প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইমরানের আরজি জানিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার। জবাবে মোদি বলেছিলেন, সন্ত্রাস ও আতঙ্কমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলাটা আগে জরুরি।

[ আরও পড়ুন: একসঙ্গে উধাও ১৪ টি সিংহ, আতঙ্ক আফ্রিকার ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কে]

জানা গিয়েছে, এদিনও সেই একই প্রসঙ্গ তুলে ইমরান খান জানিয়েছেন, বিবদমান কাশ্মীর ইস্যু-সহ ভারতের সঙ্গে সব সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নিতে আগ্রহী পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিশীলতার জন্য, আঞ্চলিক উন্নতিতে এবং দুই দেশের দারিদ্র দূর করতে ভারত ও পাকিস্তানকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে। তাই সবার আগে মুখোমুখি বৈঠকে বসাটা জরুরি। কেবল ইমরানই নন অন্যদিকে ভারতের নবনিযুক্ত বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। উক্ত চিঠিতে তিনিও ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব পাওয়ার জন্য জয়শংকরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি কুরেশি তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, ইসলামাবাদ সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নয়াদিল্লির সঙ্গে কথা বলতে চায়। কুরেশির এই চিঠির কথা প্রকাশ্যে আসতেই দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক, যা ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, তা কিছুটা নরম হতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

[ আরও পড়ুন: দুষ্প্রাপ্য হিমালয়ান ভায়াগ্রা খুঁজতে গিয়ে নেপালে মৃত এক শিশু-সহ ৮ ]

তবে এক্ষেত্রে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ৷ তাঁদের মতে, মুখে একসঙ্গে কাজের কথা বললেও, পাক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে৷ কারণ, ‘নতুন পাকিস্তান’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮-তে ক্ষমতায় আসেন ইমরান খান৷ ভারত প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘নয়াদিল্লি এক পা এগোলে, আমি দু’পা এগোব৷’’ কিন্তু বাস্তবে এর উলটোই হয়৷ মুখে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের কথা বললেও, আদতে সযত্নে জঙ্গিদেরই লালন পালন করে চলেছে পাকিস্তান৷ সেজন্যই পুলওয়ামার মতো ভয়াবহ জঙ্গি হানায় জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের যোগ মানতে চায়নি পাক সরকার৷ ভোট প্রচারই হোক বা প্রথম ভাষণ, মৌখিক ভাবে বারবারই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঠিক করার বার্তা দিয়েছেন ইমরান খান৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে জাঁকিয়ে বসেই নিজের প্রতিশ্রুতি ভুলে যান বিশ্বখ্যাত প্রাক্তন এই পাক ক্রিকেটার৷ অন্য সরকারের মতোই পাক সেনা, আইএসআই-এর হাতের পুতুলে পরিণত হয় ইমরানের সরকার৷ সে কারণেই, আন্তর্জাতিক মহলের চাপের মুখেও সন্ত্রাসবাদীদের পাশে দাঁড়ায় তারা৷ অস্বীকার করে পুলওয়ামা জঙ্গি হানায় জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের যোগও৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং