৪ মাঘ  ১৪২৫  শনিবার ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মহল হোক বা সীমান্ত, বারবার বিভিন্ন ভাবে ভারতের কাছে পর্যুদস্ত হচ্ছে পাকিস্তান৷ এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে অপমানের আবারও মরিয়া চেষ্টা চালাল ইসলামাবাদ৷ যার বহিঃপ্রকাশ ঘটল সেদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) একটি টুইটে৷ যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে বেনজির আক্রমণ করল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল৷ এবং আরও একবার বুঝিয়ে দিল মুখে শান্তির কথা বললেও, বাস্তবে ভারতের সঙ্গে কোনও রকমের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয় পাকিস্তান৷

[‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নাও’, সেনাকে নির্দেশ চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের ]

মোদি ও নয়াদিল্লিকে আক্রমণ করে শনিবার সকালে ওই বিতর্কিত টুইটটি করে পিটিআই৷ যেখানে, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুলনা করা হয় এবং তুলনার বিষয় ছিল দু’দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা৷ অর্থাৎ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী কতটা সফল, তাই বোঝানোর চেষ্টা হয় ওই টুইটে৷ পোস্টটিতে, পাশাপাশি রাখা ছিল ইমরান খান ও নরেন্দ্র মোদির ছবি৷ ইমরানের ছবির উপর লেখা ছিল, ‘হিন্দু ধর্মস্থান পঞ্জ তীর্থকে ন্যাশনাল হেরিটেজ ঘোষণা করেছে পাক সরকার৷’ এবং মোদির ছবির উপরে লেখা ছিল, ‘গোরক্ষকদের তাণ্ডবে ভারতে মরতে হচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিমকে৷’ অর্থাৎ টুইটে স্পষ্ট ভাবে ইমরানের সংখ্যালঘু প্রীতি ভাবমূর্তি তুলে ধরে পিটিআই৷ পাশাপাশি, চরম আক্রমণ শানান হয় মোদি ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে৷

[রবিতে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ ও ‘সুপার উলফ ব্লাড মুন’ থেকে বঞ্চিত দেশ]

তবে এই প্রথম নয়, নির্বাচনী প্রচারেও ভারতের মোদি সরকারকে সংখ্যালঘু খোঁচায় বিদ্ধ করেছিল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ প্রচারপর্বে পিটিআই প্রধান বলেছিলেন, নতুন পাকিস্তানে সমানাধিকার ভোগ করবে সেদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু হিন্দুরা৷ ভারতের মতো সংখ্যালঘুদের অবস্থা পাকিস্তানে হবে না৷ কয়েকদিন আগে, ভারতের অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের একটি বক্তব্যকে হাতিয়ার করেও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী৷ উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে পুলিশ অফিসার সুবোধকুমার সিংকে পিটিয়ে মেরে ফেলা এবং সারা দেশে বাড়তে থাকা হিংসার ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন। তিনি জানিয়েছিলেন, এদেশে তাঁর সন্তানরা সুরক্ষিত নয়। কারণ, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী, কেউই তাঁদের সন্তানদের ধর্মের পাঠ দেননি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই বিতর্কে অযাচিত ভাবে নাকগলান ইমরান৷ পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মোদি সরকারকে দেখিয়ে দেব সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কী আচরণ করতে হয়। এখন তো ভারতে অনেকেই বলছেন সংখ্যালঘুদের সঙ্গে একইরকম ব্যবহার করা হচ্ছে না।” ইমরানকে পালটা আক্রমণ করে নাসিরুদ্দিনও৷ উত্তরে অভিনেতা বলেন, “আমরা সত্তর বছর ধরে স্বাধীন। নিজের দেশের খেয়াল কীভাবে রাখতে হয় জানি। আপনি এই বিষয়ে ঢুকবেন না।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং