BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এই দেশে কয়েক হাজার নাগরিকের জন্মদিন ১ জানুয়ারি, কারণটা অদ্ভুত

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 1, 2018 8:03 am|    Updated: September 18, 2019 12:18 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভদ্রলোকের নাম সামাদ আলায়ি। ঠিকানা আফগানিস্তান। তাঁর জন্মদিন পয়লা জানুয়ারি। এই তথ্যের মধ্যে কোনও নতুনত্ব নেই। তবে সামাদের স্ত্রীর জন্মদিনও একই দিনে। এমনকী তাঁর দুই মেয়েও পৃথিবীর আলো দেখেছে বছরের প্রথম দিনে। চমকের এখানেই শেষ নয়। সামাদের কয়েকজন বন্ধুর জন্মদিনও পয়লায়। কোনও চোখের ভুল নয় আফগান সরকারের অপদার্থতায় অনেকেরই বার্থ সার্টিফিকেট বলছে তাদের জন্মদিন পয়লা জানুয়ারি।

[‘ভূত’ দেখতে এসে বাধা, পর্যটকদের গাড়ি ভাঙচুর বেগুনকোদরে]

কয়েক বছর আগে আফগানিস্তান জুড়ে তালিবানদের তাণ্ডবের জেরে সে দেশের একাধিক দপ্তরে কার্যত তালা পড়ে যায়। জন্মের শংসাপত্র যে অফিস থেকে দেওয়া হত তাদের কাজ বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। অবশেষে কাজ শুরু হলেও বহু আফগান বার্থ সার্টিফিকেট এখনও পাননি। বাধ্য হয়ে প্রশাসন অনেকেরই জন্মের দিন ১ জানুয়ারি ঠিক করে দেয়। তার ফলে সামাদের মতো হাজার হাজার আফগান পয়লা জানুয়ারি নিজেদের জন্মদিন মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। বার্থ সার্টিফিকেট না থাকলে সরকারি সুবিধা মেলে না। বাধ্য হয়ে শংসাপত্র তুলেও বিস্তর ঝামেলায় পোহাতে হচ্ছে আফগানদের। কারণ একই দিনে জন্ম তারিখ হওয়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে তালিকা লম্বা হচ্ছে। ৪৩ বছরের সামাদ হতাশ হয়ে বলেন এভাবে চলতে থাকলে দেশ আরও পিছিয়ে যাবে। দিন না হয় ঠিক হল, জন্মের সাল নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিভ্রাট। আফগান নতুন প্রজন্মের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েছে দারুণ আগ্রহ। কিন্তু ফেসবুক প্রোফাইল খুলতে গিয়ে দুজনের নাম ও জন্ম তারিখ এক হয়ে গেলেও সমস্যা বাড়ছে। এত ঝামেলা শেষে জন্ম তারিখ দেওয়া গেলেও বছরের প্রথম দিনে নোটিফিকেশনের চোটে তাদের মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার জোগাড়।

আফগানিস্তানে হিজরি ক্যালেন্ডার মানা হয়। হিজরির সঙ্গে ইংরেজি ক্যালেন্ডারের বিস্তর ফারাক রয়েছে। হিজরি অনুযায়ী বছর শুরু হয় ২১ মার্চ। কিন্তু বছর শুরুর হিসাবে প্রায় ৮২ দিন এগিয়ে আসায় বিভ্রান্তি চরমে উঠেছে। আশার কথা, বর্তমান প্রশাসন শহর ও জেলা হাসপাতালগুলিতে বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করানোর বিষয়ে জোর দিয়েছে। তাই এখন যারা পৃথিবীর আলো দেখেছে বা দেখতে চলেছে তাদের সমস্যা হবে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement