Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তান

পাকিস্তানকে গ্রাস করেছে সন্ত্রাসের ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’, করাচি হামলায় ভারতকেই দুষলেন ইমরান

নিজের হাতে তৈরি দানবের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে ইসলামিক দেশটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ২১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ২১:২৫

options
link
পাকিস্তানকে গ্রাস করেছে সন্ত্রাসের ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’, করাচি হামলায় ভারতকেই দুষলেন ইমরান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানকে গ্রাস করেছে সন্ত্রাসের ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’। নিজের হাতে তৈরি দানবের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে ইসলামিক দেশটি। কয়েকদিন আগেই করাচি স্টক এক্সচেঞ্জে সন্ত্রাসবাদীদের হামলা প্রাণ হারান ১০ জন মানুষ। সেই হামলার সঠিক তদন্ত না করে এবার গোটা ঘটনার দায় ভারতের ঘাড়েই চাপালেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)।

[আরও পড়ুন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা]

মঙ্গলবার পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে ইমরান বলেন, “আমার কোনও সন্দেহ নেই যে করাচি হামলার নেপথ্যে রয়েছে ভারত। বিগত দু’মাস ধরেই এমন হামলার আশঙ্কা করছিলেন আমাদের গোয়েন্দারা। এই বিষয়ে আমার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও জানেন।” যদিও সোমবার নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে স্টক এক্সচেঞ্জ হামলায় ভারতের (India) কোনও হাত নেই। এছাড়াও সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়ার পাকিস্তানের কৌশল সবার জানা। ফলে ইমরানের অভিযোগে তেমন প্রতিক্রিয়া দেবে না আন্তর্জাতিক মঞ্চ। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গত সোমবার পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের একটি বিল্ডিংয়ে হামলা চালায় ‘বালোচ লিবারেশন আর্মি’র সদস্যরা। এর ফলে প্রাণ হারান কমপক্ষে ১০ জন। মৃতদের মধ্যে দু’জন সাধারণ নাগরিক ও কমপক্ষে চারজন বালোচ বিদ্রোহী রয়েছে বলে জানা যায়। হামলার ঘটনার কিছুক্ষণ পরে বিষয়টির দায় স্বীকার করে ‘বালোচ লিবারেশন আর্মি’। গত মাসেই বালোচ বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত হয়েছিলেন ৯ পাক সেনা। শুধু তাই নয়, বালোচিস্তানে ক্রমেই জোরাল হচ্ছে স্বাধীনতার দাবি। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পাকিস্তানি ফৌজের অমানুষিক অত্যাচার। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পাক ফৌজের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মানুষ।

উল্লেখ্য, ২০১৫-তে স্বাক্ষর হওয়া মউয়ের ভিত্তিতে চিন-পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর বা সিপিইসি নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে৷ চিনের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ নীতির উপর ভিত্তি করে, তাদের অর্থ সাহায্যেই এই করিডর তৈরি হচ্ছে৷ পাকিস্তানের গদর পোর্ট থেকে চিনের শিনজিং প্রদেশ পর্যন্ত মোট ২,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথটি তৈরি করা হচ্ছে৷ এই করিডর নিয়ে প্রথম থেকেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছেন বালোচিস্তান-সহ গিলগিট-বালতিস্তান ও পিওকে-র নাগরিকরা৷ অভিযোগ, পেশিশক্তির জোরে তাঁদের বাসভূমি কেড়ে নিয়ে এই করিডর তৈরি করছে পাকিস্তান৷ যাতে পূর্ণ মদত দিচ্ছে চিন৷ এই অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই পাক প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছেন বালোচ নাগরিকরা এবং তাঁদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে পাক সেনা৷

[আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে বিবাদের জের! প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছেন নেপালের শাসকদলের শীর্ষ নেতারা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.