Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

নজরে চিনা তথ্যপ্রযুক্তি বাজার, দ্বিতীয় ‘আইটি করিডর’ উদ্বোধন ভারতের

তবে কি বরফ গলবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৮, ১১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৮, ১১:২৬

options
link
নজরে চিনা তথ্যপ্রযুক্তি বাজার, দ্বিতীয় ‘আইটি করিডর’ উদ্বোধন ভারতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এশিয়া মহাদেশের দুই শক্তিশালী অর্থনীতি ভারত ও চিন। ফলে প্রতিদ্বন্দিতা ছিলই। যদিও মজবুত নীতি ও ভৌগলিক কারণে পাল্লা ঝুঁকে চিনের দিকেই। এবার সেই পরিস্থিতি পালটাতে বদ্ধপরিকর ভারত। শনিবার বিশাল চিনা তথ্যপ্রযুক্তি বাজারকে নজরে রেখে ওই দেশে দ্বিতীয় ‘আইটি করিডর’ উদ্বোধন করল ভারত। চিনে বেশ কয়েকটি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ব্যবসা করছে। তবুও চিনা সফটওয়্যার বাজারে তাদের প্রভাব নগণ্য। তাই এবার এই ট্রেন্ড পালটাতে নয়া পদক্ষেপ নিয়েছে দিল্লি।

[একই অঙ্গে যোনি ও পুরুষাঙ্গ, শহরে জন্ম বিরল শিশুর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিগুলির নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার এন্ড সার্ভিসেস কোম্পানিস’ বা ন্যাসকম এবার পূর্ণশক্তিতে আসরে নেমেছে। চিনে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে নয়া সুযোগ করে দিতে ‘ডিজিটাল কোলাবরেটিভ প্লাজা’ নামের একটি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেছে ন্যাসকম। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভারতীয় সংস্থা ও চিনা গ্রাহকদের মধ্যে প্রায় ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। উল্লেখ্য, গতবছর চিনের বন্দর শহর দালিয়ানে প্রথম আইটি করিডর শুরু করে ন্যাসকম। এদিন চিনের গুইয়াং প্রদেশে ন্যাসকম দ্বিতীয় করিডরটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিনে ভারতের রাষ্ট্রদূত গৌতম বাম্বাওয়ালে বলেন, এই করিডরের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে দুই দেশই আরও এগিয়ে যাবে। চিনের গুইয়াং প্রদেশে ভারতীয় সংস্থাগুলির উপস্থিতিও এর ফলে বাড়বে। একইভাবে চিনা সংস্থাগুলিও ভারতে ব্যবসা করতে পারবে। তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের আওতায় একটি ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ প্লাটফর্ম তৈরি করবে ‘জেটা-ভি’ নামের একটি ভারতীয় সংস্থা। মূলত, চিনা সংস্থাগুলির তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রয়োজন এবং পরিষেবার চাহিদার তালিকা তৈরি করবে ‘জেটা-ভি’। তারপর ভারতীয় পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। এভাবে দু’পক্ষই লাভবান হবে।

উল্লেখ্য, বিতর্কিত ডোকলাম সীমান্ত নিয়ে চিন ও ভারতের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে কূটনীতির মঞ্চেই তার সমাধান হয়ে যায়। এছাড়াও পাকিস্তানকে মদত ও সীমা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চাপানউতোর লেগে রয়েছে। যদিও গত মাসে চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফলে কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। এবার এই নয়া পদক্ষেপে দুই দেশের সম্পর্ক  আরও মজবুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

[অব্যাহতি সিপি জোশীকে, বাংলায় কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে এবার গৌরব গগৈ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.