Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
India Pakistan News

ভারতের বিরুদ্ধে ‘জয়ে’ দেশজুড়ে ‘ইয়ুম-ই-তাশাকুর’ পালনের ঘোষণা শাহবাজের, কী এই নামের অর্থ?

সংঘর্ষবিরতির পর থেকেই লাগাতার মিথ্যাচার পাকিস্তানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৫, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৫, ১০:৩৬

options
link
ভারতের বিরুদ্ধে ‘জয়ে’ দেশজুড়ে ‘ইয়ুম-ই-তাশাকুর’ পালনের ঘোষণা শাহবাজের, কী এই নামের অর্থ? zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংঘর্ষবিরতির পর থেকেই লাগাতার মিথ্যাচার পাকিস্তানের। এই সংঘর্ষবিরতিকে নিজেদের ‘জয়’ হিসাবে দাবি করছে ইসলামাবাদ। শুধু তাই নয়, ‘যুদ্ধজয়ের খুশি’তে দেশজুড়ে উৎসব পালনের ঘোষণাও করে দিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।রবিবার দিনভর পাকিস্তানে পালিত হবে ‘ইয়ুম-ই-তাশাকুর’। সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে দিনটি এভাবে পালন করছে পাক সরকার।

ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিকে যে জয় হিসাবে দেখছে পাকিস্তান সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে খোদ পাক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেই। জাতির উদ্দেশে ভাষণে শাহবাজ শরিফ বলেছেন, “ভারতের হামলা রুখে দিয়ে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে পাকিস্তান। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভারতের সেনাবাহিনীকে চুপ করিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ইতিহাস সেটা মনে রাখবে।” যদিও ভারত শুরু থেকেই বলে আসছে, পাকিস্তানের কোনও সেনাঘাঁটি বা সাধারণ নাগরিককে ভারত নিশানা করেনি। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কিছু জঙ্গি লঞ্চপ্যাড। তবে শরিফ নিজের দুনিয়ায়। যুদ্ধ থেমে যাওয়াতেই তাঁর জয়ের আনন্দ। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাশাপাশি কূটনৈতিক লড়াইয়েও যে পাকিস্তানই জয়ী হয়েছে, সেটাও বোঝানোর চেষ্টা করেছেন শরিফ। যুদ্ধ থামানোর জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। চিনকে বিশেষ বন্ধু বলে উল্লেখ করছেন শরিফ। আলাদা করে ধন্যবাদ দিয়েছেন ‘ভাই’ সৌদি আরবকে। এছাড়া কাতার, তুরস্ক-সহ ইসলামিক দেশগুলিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এরপরই রবিবার দেশজুড়ে ‘ইয়ুম-ই-তাশাকুর’ পালনের ঘোষণা করেছেন।

কী এই ‘ইয়ুম-ই-তাশাকুর’? এটি একটি উর্দু শব্দবন্ধ, যার অর্থ ‘কৃতজ্ঞতার দিন’ বা ‘ধন্যবাদ জানানোর দিন’। যুদ্ধে সাফল্যের জন্য সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানানোর দিন হিসাবে এই দিনটিকে ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেছে পাক প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। এদিন পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় নেতা, ধর্মগুরুরা আল্লাহ এবং সেনাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য দিনটি উৎসর্গ করবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.