যুদ্ধের আঁচে ফের ভারতীয় জাহাজ। এবার ওমান উপকূলের কাছে ভারতের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যতরীতে ড্রোন হামলা। এর জেরে জাহাজটি সমুদ্রে ডুবে গিয়েছে বলে খবর। এই ঘটনার পরই মুখ খুলেছে কেন্দ্র।
জানা গিয়েছে, গুজরাটের ওই জাহাজটির নাম ‘হাজি আলি’। এটি সোমালিয়া থেকে শারজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। গবাদি পশু বোঝাই বাণিজ্যতরীটিতে মোট ১৪ জন নাবিক এবং ১৩ জন জাহাজ কর্মী ছিলেন। বুধবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ ওমানের উত্তর উপকূলের কাছে লিমা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকা একটি বিস্ফোরক বস্তু জাহাজে আছড়ে পড়ে। এর পরই বাণিজ্যতরীটিতে আগুন লেগে যায়। ধীরে ধীরে সেটি সমুদ্রে ডুবতে শুরু করে। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ওমানের উপকূলরক্ষী বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ঠিক কী বস্তু জাহাজটিতে আছড়ে পড়েছিল, তা জানা না গেলেও মনে করা হচ্ছে সেটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, ঘটনায় কোনও নাবিক বা জাহাজ কর্মীর কোনও ক্ষতি হয়নি। প্রত্যেকেই সুরক্ষিত রয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে দিবা বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। কিন্তু কে বা কারা এই হামলা চালাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনায় মুখ খুলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। হামলার কড়া নিন্দা করেছে তারা। বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় জাহাজে হামলা কোনও মতেই বরদাস্ত নয়। অকারণে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং নিরীহ নাবিকদের আক্রমণ করা হচ্ছে।’ জাহাজের নাবিক এবং জাহাজ কর্মীর উদ্ধার করার জন্য ওমানকেও ধন্যবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা