Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
অস্ট্রেলীয়দের পাশে ভারতীয় দম্পতি

দাবানল কেড়েছে ঘর, পাশে দাঁড়াতে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ ভারতীয় দম্পতির

মেলবোর্নে তাঁদের রেস্তঁরা থেকে খাবার দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১৩:২২

options
link
দাবানল কেড়েছে ঘর, পাশে দাঁড়াতে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ ভারতীয় দম্পতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়ন্ত্রণহীন প্রকৃতির রোষ। ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ বনভূমি। মারা পড়েছে অসংখ্য পশুপাখি। এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ৫০ কোটি। যারা আগুনের হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছে, তাদের সাহায্যে ইতিমধ্যেই এগিয়ে এসেছে বেশ কিছু সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশকর্মী। আর সেই তালিকায় নাম তুলল এক ভারতীয় দম্পতি। কমলজিৎ কউর এবং কানওয়ালজিৎ সিং। তবে যাঁরা দাবানলের আগুনে বাড়ির ছাদ হারিয়েছেন, তাঁদেরই পাশে দাঁড়িয়েছেন কমলজিৎ এবং কানওয়ালজিৎ।

অস্ট্রেলিয়ায় কমলজিৎ ও কানওয়ালজিতের একটা রেস্তঁরা আছে। সেই রেস্তঁরা থেকে ভাত এবং তরকারি দিচ্ছেন বিনামূল্যে। পিটিআইকে কমলজিৎ জানান, পরিস্থিতি দিনদিন খারাপ হচ্ছে। আগুন এতটা ভয়ংকর আকার নেবে, তা বোঝা যায়নি। এই সংকটকালে অন্তত খাবারটা যেন পান বিপদগ্রস্তরা, সেই চেষ্টাই করছেন তাঁরা। সরকারও তৈরি ছিল না। অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন শুক্রবার জানান, প্রায় ৩০০০ সেনাবাহিনীর ট্রুপ নামানো হয়েছে। ২৩ জন ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন। চোদ্দো হাজারের বেশি মানুষ গৃহহারা। সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার দাবানলের ছবি উঠে আসছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সমস্যা বাড়ল আমেরিকার, বিদেশি ফৌজ বহিষ্কারের প্রস্তাব পাশ ইরাকি সংসদের]

কমলজিৎ এবং কানওয়ালজিৎ প্রায় দশ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। প্রথমদিকে তাঁরা শুধুই খাবার তৈরির উপকরণ সরবরাহ করতেন আশেপাশে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষজনকে। পরবর্তী সময়ে রেস্তঁরা খুলে ফেলেন। মেলবোর্নের সেই রেস্তঁরায় এই মুহূর্তে কর্মী সংখ্যাও নগণ্য। সকলেই ব্যস্ত দাবানলের গ্রাস থেকে বাড়িঘর বাঁচাতে, নিজেদের পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে। কিন্তু তারই মধ্যে দুজনে মিলেই ষতটা পারছেন দিনরাত খাবার সরবরাহ করে চলেছেন।

কমলজিৎ বলছেন, ”অনেক বছর ধরে এখানে আছি তো, তাই এঁরা সকলে আমাদের আপনজন হয়ে গিয়েছে। ওঁদের বিপদের সময় পাশে দাঁড়াব না?ওদের ক্ষতি আমাদের নিজেদেরও ক্ষতি বলে মনে হচ্ছে।” এভাবেই ভারতীয় দম্পতির হাত ধরে অন্তত খাবারটুকু পাচ্ছেন বিপদাপন্ন বহু মানুষই। কমলজিৎ-কানওয়ালজিৎকে তাঁরা ভরিয়ে দিচ্ছেন শুভেচ্ছা, কৃতজ্ঞতায়।

[আরও পড়ুন: ‘আমেরিকা নিপাত যাক’, সোলেমানির শেষযাত্রায় বুক চাপড়ে চিৎকার ইরানের জনতার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.