Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Russia-Ukraine Conflict

কার্যত শেষ সুযোগ, আটক পড়ুয়াদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

সুমিতে আটকে পড়া প্রায় ৭০০ ভারতীয় পড়ুয়াকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২২, ২১:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২২, ২১:৫৩

options
link
কার্যত শেষ সুযোগ, আটক পড়ুয়াদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেখতে দেখতে ১৩ দিনে পা দিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia-Ukraine War)। সেই সময় থেকেই সেখানে আটক ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। অধিকাংশই ইউক্রেন (Ukraine) ছাড়লেও এখনও বহু পড়ুয়া রয়ে গিয়েছেন যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশটিতে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কার্যত এটাই দেশে ফেরার শেষ সুযোগ।

একটি টুইটে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ওই নির্দেশিকাটি। সেখানে বলা হয়েছে, ৮ মার্চ স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে ইউক্রেনের মানবিক করিডরগুলি ব্যবহার করে যুদ্ধ জর্জরিত দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার। সেই নির্দেশিকায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি যা, তাতে পরবর্তী মানবিক করিডর কবে তৈরি করা সম্ভব হবে তা একেবারেই অনিশ্চিত। সেই কারণেই আটক সমস্ত ভারতীয়র উচিত এই সুযোগের সুবিধা নিয়ে ট্রেন, গাড়ি কিংবা অন্য যে কোনও যানবাহনে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৩ দিনে ছিন্নমূল ১৭ লক্ষ, মৃত অসংখ্য, জেনে নিন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ]

এদিকে, ইউক্রেনের শহর সুমিতে আটকে পড়া প্রায় ৭০০ ভারতীয় পড়ুয়াকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সুমিতে ঘনঘন রুশ হামলার ফলে ওই পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

অবশেষে তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। তাঁরা এই মুহূর্তে পল্টোভার দিকে চলেছেন। সেখান থেকে ট্রেনে পশ্চিম ইউক্রেনে পৌঁছে যাবেন ওই পড়ুয়ারা। শিগগিরি তাঁদের দেশে ফেরাতে বিমান পৌঁছে যাবে সেখানে।

[আরও পড়ুন: ইউক্রেনে আছড়ে পড়ল ৫০০ কেজির রুশ বোমা! বহু হতাহতের আশঙ্কা] 

সোমবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, যুদ্ধে ৪০৬ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২৭ জন শিশু।গুরুতর আহতের সংখ্যা ৮০১। যদিও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা অনেকটাই বেশি বলে মনে করা হচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের তরফেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.