Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Indonesia

‘আমাকে জোর করে…’ মালয়েশিয়ার যুবরাজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইন্দোনেশিয়ার মডেল

স্বামীর যৌন অত্যাচারে সিঙ্গাপুরের হোটেল থেকে দেশে পালিয়ে যান বলে আগেই দাবি করেছিলেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৩:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৩:০৯

options
link
‘আমাকে জোর করে…’ মালয়েশিয়ার যুবরাজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইন্দোনেশিয়ার মডেল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ান-মার্কিন মডেল মনোহরা ওদেলিয়া মালয়েশিয়ার যুবরাজ তেংকু ফাখরির সঙ্গে তাঁর বিবাদপূর্ণ বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁদের বিয়েকে তাঁর দিক দিয়ে ‘বলপূর্বক, অননুমোদিত ও অবৈধ’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে এই বিষয়ে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন মনোহরা। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মালয়েশীয় রাজপুত্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বোঝাতে গণমাধ্যমের ‘প্রাক্তন স্ত্রী’ শব্দটি ব্যবহারেরও তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৬।

২০০৮ সালে বিয়ে হয়েছিল মনোহরার। এখন তিনি ৩৩। নিজের বিয়ে সম্পর্কে বলতে গিয়ে যুবতী মডেলের দাবি, বিয়ের সময় তিনি নাবালিকা ছিলেন। তাই তাঁর বিয়েতে সম্মতি দেওয়ারও অধিকার ছিল না। পুরো বিষয়টাই ছিল বলপূর্বক। বিয়ের পর রাজপ্রাসাদে কী ধরনের শারীরিক ও যৌন হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল সেকথাও জানান তিনি। আর এরপর সিঙ্গাপুরের হোটেল থেকে কীভাবে পালিয়েছিলেন, সেবিষয়টিও মনে করান। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমার কৈশোরকালে যা ঘটেছিল সেটা কোনও রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল না। কোনও সম্মতিসূচক সম্পর্ক নয়। কোনও বৈধ বিবাহই ছিল না। সেই সময়ে আমি নাবালিকা ছিলাম। আমার কোনও সম্মতি দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Manohara Odelia (@manodelia)

২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার যুবরাজ তেংকু ফাখরির সঙ্গে বিয়ে হয় মনোহরা ওদেলিয়ার। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ের পর থেকেই জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে তাঁর। মনোহরার অভিযোগ, তাঁর কোনও স্বাধীনতা ছিল না। বাপের বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে গিয়েছিল ক্ষীণ। পাশাপাশি সারাক্ষণ রাজপ্রাসাদে ‘বন্দি’ থাকতে হত কড়া নজরদারিতে। এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে যৌনতায় রাজি না হলে যৌন হেনস্তা ও অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হত তাঁকে। ২০০৯ সালে সিঙ্গাপুরে এক রাজকীয় সফরে যান মালয়েশিয়ার যুবরাজ। সেই সময় হোটেল থেকে পালিয়ে যান তিনি। মা, স্থানীয় প্রশাসন ও মার্কিন দূতাবাসের সাহায্যে ফেরেন ইন্দোনেশিয়ায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.