Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Strait of Hormuz

হরমুজ ফসকেছে ইরানের মুঠি থেকে! মার্কিন চালে অস্বস্তিতে তেহরান

সম্প্রতি হরমুজের মানচিত্র শেয়ার করে সেটি আমেরিকার নয়া ভূখণ্ড বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
হরমুজ ফসকেছে ইরানের মুঠি থেকে! মার্কিন চালে অস্বস্তিতে তেহরান zoom
আমেরিকা ও ইরান উভয়ই বারবার দাবি করেছেন হরমুজে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য থাকার।
Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কার্যত বন্ধ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)। এদিকে শান্তিচুক্তির ৬০ দিনের মেয়াদ ফুরিয়েছে। অবশ্য অনেক আগে থেকেই এই চুক্তি শিকেয় উঠেছিল। এহেন পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন-ইরান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কৌশলগত ও বিতর্কিত এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাত থেকে ফসকে গিয়েছে! এমনই দাবি সিএনএনের। বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৮০ শতাংশেরও বেশি জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ অনুমোদিত ওমানি রুট (ওমানের উপকূল ঘেঁষা নৌপথ) ব্যবহার করছে। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, এ অঞ্চলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পেয়েছে। তেহরান অবশ্য এই রুটের ব্যাপারে তীব্র বিরোধিতা জানিয়ে আসছে অনেকদিন ধরেই।

বলে রাখা ভালো, আমেরিকা ও ইরান উভয়ই বারবার দাবি করেছেন হরমুজে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বা আধিপত্য থাকার। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলির উপরে তেহরানের যে নিয়ন্ত্রণ ছিল, এখন হয়তো আর তা নেই। কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হুমায়ুন ফালাকশাহি বলেছেন, ‘‘ক্রমশ এমনটাই মনে হচ্ছে যে, ইরান অন্তত আংশিকভাবে হলেও এই প্রণালীর ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।” অন্যদিকে, পারস্য উপসাগরের দেশগুলি হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমাতে দ্রুত নতুন পাইপলাইন ও বিকল্প জ্বালানি টার্মিনাল চালু করছে।

Advertisement

সাম্প্রতিক সময়ে ৮০ শতাংশেরও বেশি জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ অনুমোদিত ওমানি রুট (ওমানের উপকূল ঘেঁষা নৌপথ) ব্যবহার করছে। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, এ অঞ্চলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পেয়েছে।

এই পরিবর্তনটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ‘কেপলার’-এর তথ্য অনুযায়ী, এক মাস আগেও ওমান-ঘেঁষা এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের কোনও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম ছিল না। ইরান এই প্রণালীতে নৌ-চলাচলের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ দাবি করে ওমানের উত্তর উপকূলীয় পথ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির উপরে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু নানাবিধ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, সুরক্ষার জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতির ওপর ভরসা করে অনেক জাহাজ এখন ওমানের দিকের এই পথটি ব্যবহার করছে।

এদিকে সম্প্রতি নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ট্রুথে একটি হরমুজের একটি মানচিত্র শেয়ার করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে হরমুজ প্রণালী-সহ আমিরশাহী, ওমান এবং ইরানের কিছু অংশ গোল করে দেখানো হয়েছে। উপরে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে, ‘আমেরিকার নয়া ভূখণ্ড।’ ট্রাম্পের এই দাবি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে আরেক দফা বিতর্ক।

সব মিলিয়ে বলাই যায়, ইরান ওমানের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার চেষ্টা করলেও সামগ্রিকভাবে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য ও কৌশলগত সুবিধা আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। যদিও সম্প্রতি তারা ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে বলে দাবি। ফলে শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি কী দাঁড়ায় সেদিকেই নজর থাকবে ওয়াকিবহাল মহলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.