দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz) খুলতে পারে ইরান। সম্প্রতি একটি রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হয়েছে। তবে সূত্রের খবর, সম্পূর্ণ হরমুজ নয়। ওমানের দিকে হরমুজের যে অংশটি রয়েছে, তা মুক্ত করতে আগ্রহী তেহরান। তাহলে কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপেই নতি স্বীকার করল ইরান?
মার্কিন এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরই ‘বদলা’ স্বরূপ হরমুজ অবরুদ্ধ করে দেয় ইরান। ফলে আটকে পড়ে প্রচুর জাহাজ। এর জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালনি সংকট সৃষ্টি হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর শয়ে শয়ে ট্যাঙ্কার-জাহাজ এবং প্রায় ২০ হাজার নাবিক পারস্য উপসাগরের আটকে পড়েন বলে খবর। কিন্তু হরমুজ মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর আমেরিকা।
আরও পড়ুন:
তেহরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দীর্ঘ এই যুদ্ধে ইতি টানতে আগ্রহী ইরানও। তাই ওমানের দিকে হরমুজের যে অংশ রয়েছে, তা মুক্ত করে দিতে পারে তেহরান। যদি তা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সেখানে জাহাজ চলাচলে আর কোনও বাধা থাকবে না। তবে কয়েকটি বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। প্রথমত, ওই জলপথে ইরান যে সমস্ত মাইন পেতে রেখেছিল, সেগুলি কি তারা সরিয়ে নেবে? দ্বিতীয়ত, ইজরায়েলি এবং মার্কিন জাহাজগুলিকে সেখানে অবাধে চলতে দেওয়া হবে কি না? অন্যদিকে, আমেরিকার দেওয়া প্রধান শর্তগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল হরমুজের মুক্তি। আর যদি তাতে সত্যিই রাজি ইরান, তাহলে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে মিলতে পারে কোনও রফাসূত্র। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে এই রিপোর্ট নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি ওয়াশিংটন।
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা