BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আল ধাফরায় আছড়ে পড়ল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষতি হয়নি ভারতের রাফালে যুদ্ধবিমানের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 29, 2020 1:11 pm|    Updated: July 29, 2020 1:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংযুক্ত আরব অমিরশাহীর আল ধাফরা বিমানঘাঁটির কাছেই আছড়ে পড়ল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। তবে ওই হামলায় সেখানে থাকা ভারতের রাফালে যুদ্ধবিমান ও পাইলটদের কোনও ক্ষতি হয়নি।

[আরও পড়ুন: তিব্বতে তৎপর লালফৌজ, উপগ্রহ চিত্রে প্রকাশ্যে ‘ড্রাগনে’র অভিসন্ধি]

সোমবার (জুলাই ২৬) ফ্রান্সের বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয় পাঁচটি রাফালে যুদ্ধবিমান। প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটারের সফরের মাঝে মঙ্গলবার রাতে আবু ধাবি থেকে প্রায় ঘণ্টাখানেরে দূরে থাকা ফ্রান্সের আল ধাফরা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে বিরতি নেওয়ার জন্য নামে বিমানগুলি। সেখান থেকে বুধবার ভারতের উদ্দেশে পাড়ি দেয় সেগুলি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম  সূত্রে খবর, গতকাল আচমকাই ইরানের তিনটি মিসাইল আছড়ে পরে আল ধাফরার কাছে। যদিও এই ঘটনায় বিমানঘাঁটির কোনও ক্ষতি হয়নি। এই ঘটনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলির নিরপত্তা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। সিএনএন সূত্রে খবর, আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ‘প্রফেট মহম্মদ ১৪’ নামের সামরিক মহড়া চালাচ্ছে ইরান। মহড়ার অংশ হিসেবে গতকাল স্ট্রেট অফ হরমুজে একটি নকল মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে মিসাইল হামলা চালানোর অভ্যাস করে ইরানে রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী।

এদিকে, আল ধাফরায় পাশে হামলা হলেও তাতে ভারতের রাফালে বিমানগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি। বুধবার পরিকল্পনা মতোই দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বিমানগুলি। সব ঠিক থাকলে এদিন আম্বালায় ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটিতে নামবে সেগুলি। এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে সেখানে উপস্থিত থাকবেন বায়ুসেনা প্রধান ভাদোরিয়া। নামার পর বিমানগুলিকে ওয়াটার স্যালুট দেওয়া হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে আম্বালায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আল ধাফরায় নামার আগে মঙ্গলবার, মাঝ আকাশে রাফালের পেটে জ্বালানি ভরার ছবি টুইটারে পোস্ট করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, রাফালে যুদ্ধবিমানগুলিতে জ্বালানি ভরছে ফরাসি বায়ুসেনার A330 Phoenix MRTT জ্বালানিবাহী ট্যাঙ্কার বিমান। সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝ আকাশে বিমানে জ্বালানি ভরা অত্যন্ত জটিল ও বিপজ্জনক কাজ, একচুল এদিক ওদিক হলেই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। বিমানের জ্বালানিতে চোখের পলক না ফেলতেই আগুন ধরে যেতে পারে। ফলে গোটা প্রক্রিয়ায় বিস্ফোরণের সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া, ট্যাঙ্কার বিমান ও যুদ্ধবিমানগুলির গতি ও উচ্চতা নির্দিষ্ট মানে বজায় রাখতে দু’টি বিমানের চালকদের মধ্যে অত্যন্ত সূক্ষ্ম সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়।

[আরও পড়ুন: চিনকে বেকায়দায় ফেলে ইন্দোনেশিয়াকে ব্রহ্মস মিসাইল দেবে ভারত!]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement