Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
IMF

যুদ্ধের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘পঞ্চম মন্দা’ পরিস্থিতি, ইঙ্গিত আইএমএফ-এর

বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চলছে–তা যদি আরও সময় ধরে চলে তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৫:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১৫:২২

options
link
যুদ্ধের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘পঞ্চম মন্দা’ পরিস্থিতি, ইঙ্গিত আইএমএফ-এর zoom
ইন্টারন‌্যাশনাল মানিটরি ফান্ড বা আইএমএফ। ফাইল ছবি
Advertisement

জ্বালানি সংকট তো চলছেই! পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতেও। এমনই হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (ইন্টারন‌্যাশনাল মানিটরি ফান্ড বা আইএমএফ)-এর রিপোর্টে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, গুরুতর মন্দার মুখে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি। ১৯৮০ সালের পর পঞ্চম এমন মন্দার মুখে অর্থনীতি।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক নামের রিপোর্টে আইএমএফ দাবি করেছে, যে যুদ্ধ বর্তমানে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চলছে–তা যদি আরও সময় ধরে চলে তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। বিশ্ব অর্থনীতি পড়বে মন্দার মুখে। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধু ২০২৬ সাল নয়, ২০২৭ সালেও এর প্রভাব অব‌্যাহত থাকবে। অর্থাৎ তেল, গ‌্যাস এবং খাদ‌্যপণ্যের দাম চড়ার দিকেই থাকবে। আইএমএফ রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, চলতি বছরে বিশ্ব অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার ২ শতাংশের নিচে থাকবে। যে অবস্থা বর্তমানে চলছে, যুদ্ধের কারণে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, ‘১৯৮০ সালের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম’ এমন ‘মন্দা’র ঘটনা ঘটল বলে দাবি করেছে আইএমএফ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘১৯৮০ সালের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে পঞ্চম’ এমন ‘মন্দা’র ঘটনা ঘটল বলে দাবি করেছে আইএমএফ।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ব্যারেল প্রতি তেলের দাম যদি চলতি বছরে গড়ে ১১০ ডলার এবং আগামী বছর ১২৫ ডলারে পৌঁছয়, তবে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা চরম রূপ নেবে। আর এর ফলে ২০২৭ সালে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট অবশ্য আইএমএফের পূর্বাভাসে আশঙ্কার কারণ দেখছেন না। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমী দুনিয়ার উপর ইরানের পরমাণু হামলার আশঙ্কা নির্মূল করতে হলে ‘অল্প কিছু অর্থনৈতিক সমস্যা’ মেনে নিতে হবে।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.