Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

দু’চাকার ঝড়ে কেঁপে উঠেছিল খামেনেই-মসনদ! বিদ্রোহী রমণীকে গুলি করে হত্যা মোল্লাতন্ত্রের ঘাতকদের

'বেবি রাইডার' নামে পরিচিত ছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার ডায়না বাহাদোরি। ফলোয়ার ১ লক্ষ ৪৪ হাজার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:৫৬

options
link
দু’চাকার ঝড়ে কেঁপে উঠেছিল খামেনেই-মসনদ! বিদ্রোহী রমণীকে গুলি করে হত্যা মোল্লাতন্ত্রের ঘাতকদের zoom

সোশাল মিডিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল ব্যাপক। ফলোয়ার ১ লক্ষ ৪৪ হাজার। ডায়না বাহাদোরিকে নেটিজেনরা চিনতেন ‘বেবি রাইডার’ নামে। ইরানের সেই ইনফ্লুয়েন্সারকে গুলি করে হত্যা করেছে ঘাতকরা। মনে করা হচ্ছে, খামেনেই-বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ‘শাস্তি’ই পেলেন তিনি। জানা গিয়েছে, গত ৯ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাড়ি না ফেরায় খোঁজ চালাতে থাকে বাড়ির লোক। ১১ জানুয়ারি উদ্ধার হয় তাঁর নিথর দেহ।

ডায়নার সুহৃদদের তরফে তাঁর ইনস্টা অ্যাকাউন্টে যে পোস্ট দেওয়া হয়েছে, সেখানে অবশ্য দাবি করা হয়েছে এই মৃত্যু দুর্ঘটনা। পারস্যের ভাষায় লেখা হয়েছে, ‘প্রিয় ডায়নার প্রতি শ্রদ্ধা। দুর্ঘটনার ফলেই এমনটা ঘটে গেল। ওঁর পরিবার মর্মাহত। আপনারা গুজব ছড়াবেন না। আপনাদের সহমর্মিতার জন্য ধন্যবাদ।’

Advertisement

মনে করা হচ্ছে, খামেনেই প্রশাসনের রক্তচক্ষুর ধাক্কাতেই মুখ খুলছে না ডায়নার পরিবার। কিন্তু ইরানের সংবাদমাধ্যমেরই দাবি, গর্গান সিটিতে বিদ্রোহ দমনে ইরান সরকারের ভূমিকা ছিল ভয়াবহ। ডায়নাও সেখানেই থাকতেন। যেভাবে মেশিনগান ও অন্যান্য ভয়ংকর আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে গুলি চালিয়ে বহু বিদ্রোহীকেই হত্যা করা হয়েছে, তাতে ডায়নার পরিণতির নেপথ্যে কারা তা পরিষ্কার বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানে খামেনেই-বিরোধী যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, তা ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহ। অর্থনীতির বেহাল দশা নিয়ে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এক পর্যায়ে ধর্মীয় শাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়। আর তারপরই তা দমনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে খামেনেই প্রশাসন। আর তারই ফলশ্রুতি এই হাড়হিম পরিণতি। যে কারণে কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে ইরান সরকারকে।
প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। মার্কিন মানবাধিকার সংগঠনের সংবাদসংস্থা (এইচআরএএনএ) দাবি করেছিল, উত্তাল ইরানের মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন হাজার। কিন্তু এরপর প্রকাশ্যে আসে নয়া রিপোর্ট, যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল। আর এবার যে নৃশংসতার ছবি সামনে এসেছে তা যেন আরও ভয়াবহ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.