Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

চুলকানির জ্বালায় প্রাণ ওষ্ঠাগত! মা-বাবাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবতী

এমনও হয়!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ১১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ১১:২৮

options
link
চুলকানির জ্বালায় প্রাণ ওষ্ঠাগত! মা-বাবাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবতী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবল চুলকানি। শরীরে অসহ্য জ্বলুনি। চামড়ায় লাল দাগ। সব মিলিয়ে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল যুবতীটির। ডাক্তার দেখিয়েও বিশেষ লাভ হয়নি। শেষমেশ চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে সে। যুবতীর ধারণা, মা-বাবার থেকেই এই রোগ বাসা বেঁধেছে তাঁর গায়ে। তাই প্রতিশোধ নিতে তাঁদের হত্যা করে আত্মঘাতী হয় সে।

[আঘাত ঠোঁটে, যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচারের জন্য শিশুকে ক্যাথিটার পরালেন চিকিৎসক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বেশ কিছুদিন ধরেই চর্মরোগে ভুগছিলেন হংকংয়ের পাংচিং ইউ। গত সোমবার নিজের ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন ২৩ বছরের ওই যুবতী। রেখে যান একটি সুইসাইড নোট। তুয়েন মুয়েন জেলার সহকারী পুলিশ প্রশাসক য়ান ফং য়াই জানান, সুইসাইড নোটে নিজের যন্ত্রণার কথা উল্লেখ করেছেন ওই যুবতী। শরীরে লাল দাগ ও চুলকানি নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। এমনটাই লেখা ছিল সেখানে। চিনা সংবাদমমাধ্যম সূত্রে খবর, একই কামরায় মৃত যুবতীর মা-বাবার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁদের খুন করা হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, প্রথম মা-বাবাকে হত্যা করে ওই যুবতী, তারপর বিষাক্ত গ্যাস সেবন করে আত্মঘাতী হয় সে।

এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই একটি ব্লগ লিখে নিজের হতাশার কথা জানায় মৃত যুবতী। এই রোগ বংশানুক্রমিক। ফলে মা-বাবার শরীর থেকেই ছড়িয়েছে সংক্রমণ বলে দাবি করে সে। ব্লগে ওই যুবতী বলে, “চর্মরোগে ভোগা যুগলের সন্তান জন্ম দেওয়া উচিত নয়। তাঁরা সন্তানদের নরকযন্ত্রণার পথে ঠেলে দেন। এর থেকে ভাল একটি দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া। নিজের উদ্যোগে দারিদ্র দূর করা যায় কিন্তু চুলকানি সারানো যায় না।” বিশেষজ্ঞদের মতে, চর্মরোগের চিকিৎসায় একধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়। যা অনেক সময় মানুষের বোধশক্তিকে দুর্বল করে তুলে। সাময়িকভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারায় রোগী। ফলে অনেক সময় অল্পেই উত্তেজিত হয়ে যায় ওষুধ সেবনকারী। মৃত যুবতীর ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে থাকতে পারে।

[সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল, পড়ুয়াদের পাশাপাশি ‘ছুটি’ কাটাচ্ছেন শিক্ষকরাও !]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.