Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

‘খামেনেইকে নিকেশ করতে চেয়েছিলাম, সুযোগ পাইনি’ যুদ্ধবিরতির পর স্বীকারোক্তি ইজরায়েলের

সংঘর্ষ চলাকালীন খামেনেইকে নিকেশের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ০৮:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৫, ০৮:৩৯

options
link
‘খামেনেইকে নিকেশ করতে চেয়েছিলাম, সুযোগ পাইনি’ যুদ্ধবিরতির পর স্বীকারোক্তি ইজরায়েলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে নিকেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সুযোগ পাইনি। যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম একথা স্বীকার করল ইজরায়েল।

সেদেশের সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ বলেন, “খামেনেইকে হত্যা করতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম। কিন্তু তাঁকে খুঁজে বার করতে পারিনি। খুঁজে পেলে অচিরেই তাঁকে নিকেশ করতাম।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “খামেনেই জেনে গিয়েছিলেন যে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে। তাই তিনি গোপন বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং সমস্ত কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন। আমরা অনেক খুঁজেছিলাম। কিন্তু তাঁর হদিস পাইনি।” ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এতদিন তেহরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলিতে আঘাতের কথাই বলে আসছিলেন। কিন্তু এই প্রথম ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে খুনের পরিকল্পনার কথা সর্বসম্মখে স্বীকার করল তেল আভিভ। তবে সংঘর্ষ চলাকালীন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “প্রয়োজনে পাতাল ফুঁড়েও নিকেশ করা হবে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে”। একই সুর শোনা গিয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গলাতেও। এবার খামেনেইকে হত্যার যড়যন্ত্রের কথা সরাসরি স্বীকার করে নিল ইজরায়েল।

Advertisement

১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল। সেই সময় থেকেই প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। একদিন পর সেই আশঙ্কা সত্যি করে ইজরায়েলে পালটা হামলা চালায় ইরান। ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার লক্ষ্য করে আকাশপথে হামলা চালানো হয়। মৃত্যু হয় ইরান সেনার চিফ অফ স্টাফ মহম্মদ বাঘেরি, রেভোলিউশনারি গার্ডসের কমান্ডার হোসেন সালামি, ইরানের এমার্জেন্সি কমান্ডের কমান্ডার এবং দুই শীর্ষ সেনা আধিকারিকের। প্রাণ হারান ইরানের প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানিরও। এছাড়াও পারমাণবিক গবেষণাকারী অন্তত ৯ জন বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয়ছে বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের প্রত্যাঘাতে বারবার কেঁপে ওঠে তেল আভিভ-সহ গোটা ইজরায়েল।

পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয় ২২ জুন। ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে আমেরিকা। ইরানের তিন পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালায় মার্কিন বায়ুসেনা। জবাবে মিসাইল ছুড়ে ইজরায়েলকে ঝাঁজরা করে দেয় তেহরান। আমেরিকাকে শিক্ষা দিতে সিরিয়া-কাতার-ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালায় ইরান। এর মধ্যেই সোমবার ভোর রাতে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.