Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Israel

লস্করের ‘বন্ধু’ হামাস! গাজায় শান্তিবাহিনীতে পাক সেনার উপস্থিতি মানবে না ইজরায়েল

হামাস নির্মূল না হলে শান্তি আসবে না গাজায়, দাবি ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
লস্করের ‘বন্ধু’ হামাস! গাজায় শান্তিবাহিনীতে পাক সেনার উপস্থিতি মানবে না ইজরায়েল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজা পুনর্গঠনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনার উপস্থিতি মানবে না ইজরায়েল। শুক্রবার সাফ জানালেন ইজরায়েলের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। তিনি বলেন, একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসাবে ইজরায়েল গাজায় শান্তিবাহিনীতে পাকিস্তানি সেনার উপস্থতি কখনই মানতে পারবে না। লস্কর-এ-তইবা-সহ পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে হামাসের যোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে রিউভেন আজার বলেন, যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাসকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত গাজার ভবিষ্য়ত পরিকল্পনা সম্ভব নয়। যদিও ইতিমধ্যে গাজা পুনর্গঠনে শান্তিবাহিনীর প্রস্তাব করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য একাধিক দেশকে সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে পাকিস্তানও রয়েছে।

Advertisement

এই বিষয়ে আজারের বক্তব্য, পাকিস্তানের সঙ্গে স্বচ্ছন্দ নয় ইজরায়েল। তিনি বলেন, “বর্তমান যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে করে আগামীর কথা ভাবা যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য হামাসকে নির্মূল করতে হবে। এছাড়া কোনও উপায় নেই।” ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “অনেক দেশ ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা (গাজায়) সেনা পাঠাতে অনিচ্ছুক। কারণ হামাসের বিরুদ্ধে লড়তে রাজি নয় তারা। এই পরিস্থিতি শান্তি বাহিনীর ধারণাকে অর্থহীন করে তুলবে।”

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। যার ভিত্তিতে হামাসের গড়ে এবার মোতায়েন করা হতে পারে আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী। ট্রাম্প চাইছেন গাজার মাটিতে সেনা পাঠাক পাকিস্তানও। সেই লক্ষ্যে মুনিরের উপর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। ‘বন্ধু’র এই প্রস্তাব পাকিস্তান না পারছে গিলতে, না পারছে উগরাতে। কারণ, গাজায় সেনা পাঠানোর অর্থ ইজরায়েলের পথে হেঁটে হামাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা। যে ইজরায়েলকে পাকিস্তান দেশের স্বীকৃতি দেয়নি, যে হামাসকে তারা ‘বন্ধু’ মনে করে, তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সামনে লজ্জার শেষ থাকবে না। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.