Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Venezuela

মিথ্যে মাদকের অভিযোগ, তেলের লোভেই মার্কিন আগ্রাসন, ট্রাম্পকে তোপ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের

ভেনেজুয়েলার তেল বেচবে আমেরিকাই! ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছেন একাধিক মার্কিন আধিকারিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
মিথ্যে মাদকের অভিযোগ, তেলের লোভেই মার্কিন আগ্রাসন, ট্রাম্পকে তোপ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ এনে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করেছে আমেরিকা। এমনকী মার্কি আদালতে তাঁর বিচারও শুরু হয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার ভয়ডরহীন ভাবে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানিয়ে দিলেন, ‘মাদক চোরাচালান’, ‘গণতন্ত্র’, ‘মানবাধিকার’ সংক্রান্ত অভিযোগ আসলে ছুঁতো। চিরকালই ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অধিপত্যের নেপথ্যে তেল।

লাতিন আমেরিকার দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে জাতীর উদ্দেশে ভাষণে লেসলি বলেন, “আপনারা সকলেই জানে যে উত্তরের জ্বালানী লোভীরা আমাদের দেশের সম্পদ চায়। মাদক পাচার, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার সম্পর্কিত বক্তব্য আসলে অজুহাত।” আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার শক্তির (মূলত জ্বালানী তেল) বণ্টন সংক্রান্ত সম্পর্ক নিয়ে বলেন, “মুক্ত সম্পর্কে সকলে লাভবান হন। যেখানে বাণিজ্যিক চুক্তিতে একে অপরকে সহযোগিতার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।” ভেনেজুয়েলার জাতীয় সংসদে নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি বলেন, “দুই দেশের (ভেনেজুয়েলা-আমেরিকা) সম্পর্কের উপরে এমন একটা দাগ লেগে গিয়েছে যা আমাদের ইতিহাসে ছিল না। দেশের সংকটের সময় সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ডেলসি।

Advertisement

শুরুতে মাদুরোকে বন্দি করার কারণ হিসাবে মাদক চোরাচালানের কথা বলা হলেও গোটা বিশ্বের জানা ছিল, ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেলের ভাণ্ডারের দিকেই নজর আমেরিকার। বৃহস্পতিবার সেকথা খোলাখুলি জানিয়েও দিয়েছে ওয়াশিংটন। ভবিষ্যতে ভেনেজুয়েলার তেল বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করবে আমেরিকাই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনই ঠিক করবে, ভেনেজুয়েলার তেল কাকে বিক্রি করা হবে। শুধু তা-ই নয়, তেল বিক্রি করে যে মুনাফা হবে, তা-ও আপাতত আমেরিকার কোষাগারেই যাবে। তবে মুনাফার অঙ্ক ভেনেজুয়েলারই নামে থাকবে। কিন্তু তাতে আপাতত নিয়ন্ত্রণ থাকবে আমেরিকারই। কোনও লুকোছাপা নেই, প্রকাশ্যেই এমন বিবৃতি দিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

আমেরিকার জ্বালানি দপ্তরের সচিব ক্রিস রাইট বলেন, “ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলকে বাজারে নিয়ে গিয়ে বেচতে চাই আমরা। ওদের ভান্ডারে এখন যে তেল মজুত রয়েছে, প্রথমে তা বিক্রি করা হবে। তার পর আরও তেল উত্তোলন করে তা বিক্রি করবে আমেরিকা।” নিজের মতো করে যুক্তিও সাজিয়েছেন ক্রিস। তিনি দাবি করেছেন, “আমেরিকা মোটেই ভেনেজুয়েলার তেল বা তেল বিক্রির টাকা চুরি করছে না। আমরা চাই আবার আন্তর্জাতিক বাজারে ভেনেজুয়েলার তেলের বাজার তৈরি হোক। তেলের টাকা ভেনেজুয়েলার নামেই থাকবে। পরে সেই টাকা দিয়ে ভেনেজুয়েলার মানুষের উন্নতি করা হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.