BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

শুরুর আগেই পশুহত্যার দায়ে সমালোচনার মুখে রিও ওলিম্পিক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 22, 2016 4:43 pm|    Updated: June 22, 2016 6:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখনও শুরু হতে প্রায় মাস দেড়েক বাকি৷ কিন্তু তার আগেই ফের নয়া বিতর্কের মুখে রিও ওলিম্পিক৷ প্রাক ওলিম্পিক মশাল প্রদর্শনীতে এক লুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল ব্রাজিলের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে৷ সম্প্রীতির মঞ্চেই পশুহত্যার ঘটনায় বিতর্কের জল বহু দূর গড়িয়েছে৷ টর্চ সেরিমনিতে লাতিন আমেরিকান লুপ্তপ্রায় জাগুয়ারকে গুলি করে খুন করে ব্রাজিল সেনা৷ প্রসঙ্গত, আসন্ন রিও ওলিম্পিকের ম্যাসকট হল জাগুয়ার৷ তারই প্রতীক হিসেবে ওলিম্পিক টর্চ সেরিমনিতে হাজির করা হয়েছিল জুমা নামে এক জাগুয়ারকে৷ চলতি মাসেই সিনসিনাটির চিড়িয়াখানায় গরিলার উপর গুলি চালানো নিয়ে উত্তাল হয়েছিল বিশ্ব৷ শিশুকে বাঁচানোর জন্য গরিলাকে হত্যা করার ঘটনা মেনে নিতে পারেননি কেউই৷ সোমবার সেই ঘটনারই আঁচ লাগল ব্রাজিলের মানাউসে৷

ঠিক কী কারণে প্রাণ হারাল জাগুয়ারটি? সোমবার মানাউসের সেনা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ওলিম্পিক মশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ এক ব্যক্তি মশাল হাতে ক্যাম্পের সামনে হাজির হলেন৷ আর তাঁর পাশে গলায় চেন বাঁধা অবস্থায় এসে দাঁড়াল জাগুয়ারটি৷ মশালকে শান্তির প্রতীক ও জাগুয়ারটিকে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলার উদ্দেশেই এমন প্রয়াস৷ ঠিক যেমনটা ভাবা হয়েছিল, তেমনটাই হল অনুষ্ঠানে৷ কিন্তু বিপত্তি ঘটল অনুষ্ঠানের পরমুহূর্তে৷ সেনাদের দাবি, অনুষ্ঠানের শেষে গাড়িতে চাপিয়ে তাকে খাঁচার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল৷ কিন্তু কোনওভাবে সে গাড়ি থেকে নেমে পড়তে সফল হয়৷ প্রথমে তার দিকে শান্ত করার গুলি মারা হয়৷ কিন্তু সেনাদের দাবি, তাতে জুমাকে বাগে আনা সম্ভব হয়নি৷ বরং রেগে গিয়ে জুমা এক সেনার দিকে তেড়ে যায়৷ সেনাদের বক্তব্য, ওই সেনার প্রাণ বাঁচাতেই গুলি চালানো হয় জুমার ওপর৷

3584419600000578-3652637-image-m-74_1466523276238

পুরো ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছে রিও ওলিম্পিকের স্থানীয় আয়োজক কমিটি৷ ওলিম্পিকের মূল অনুষ্ঠানে যাতে এধরনের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে কমিটি৷ উরুগুয়ের লুপ্তপ্রায় প্রাণীগুলোর অন্যতম এই জাগুয়ার৷ অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে হেরে আমেরিকায় ক্রমেই তাদের সংখ্যা কমছে৷ জুমাকে আটকানোর কি আর কোনও উপায় ছিল না? সোমবারের ঘটনার পর বারবার উঠছে এই প্রশ্নই৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement