BREAKING NEWS

১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কন্যাসন্তান জন্মানোর জের, ভাই আকিশিনোকে সিংহাসন ছা়ড়লেন জাপানের সম্রাট নারুহিতো

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 9, 2020 4:44 pm|    Updated: November 9, 2020 4:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিবারের মহিলা সদস্যরা সম্রাটের আসনে বসতে পারবেন না। এদিকে বর্তমান সম্রাট নারুহিতোর কোনও ছেলে হয়নি। তাই সিংহাসনে বসার একবছরের মধ্যেই ভাই আকিশিনোকে সেই জায়গা ছেড়ে দিলেন তিনি। সম্প্রতি জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত রাজ পরিবারের বাসস্থান ইমপিরেয়াল প্যালেসে একটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে আকিশিনো (Akishino) -কে জাপানের পরবর্তী সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

জাপানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর শারীরিক অসুস্থতার কারণে সিংহাসন থেকে পদত্যাগ করে জাপানের তৎকালীন সম্রাট আকিহিতো। জাপানের ২০০ বছরের ইতিহাসে তাঁর আগে এভাবে কেউ সিংহাসন ছাড়েননি। তারপরই আকিহিতোর জায়গায় সিংহাসনে বসেন নারুহিতো (Naruhito)। তখন থেকেই তিনি কতদিন সিংহাসনে থাকবেন তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কারণ জাপানের রাজ পরিবারের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও মহিলা সদস্যকে সম্রাটের আসনে বসানো হয় না। ফলে নারুহিতোর পরে তাঁর কন্যাসন্তানের সিংহাসনে বসার কোনও সুযোগ ছিল না। অন্যদিকে ৬০ বছরের নারুহিতোর থেকে ৬ বছরের ছোট আকিশিনোর পুত্রসন্তান হয়েছিল। তাই আকিশিনোর সম্রাটের আসনে বসা সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছিল।

[আরও পড়ুন: ‘ইসলামকে ভীষণ সম্মান করি আমরা’, চাপে ভোলবদল ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রীর!]

 রবিবার জাপানের রাজ পরিবারের তরফে জানানো হয়, এবছরের প্রথমদিকেই ভাই আকিশিনোকে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল নারুহিতোর। এর জন্য গত এপ্রিল মাসে প্রথা মেনে ‘রিক্কোশি নো রেই’ নামে উত্তরাধিকার ঘোষণার অনুষ্ঠানটি করার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল রাজ পরিবারের তরফে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে জাপানে সংক্রমণের পরিমাণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে প্রধানমন্ত্রী ইওশিহিদে সুগার উপস্থিতিতে ইমপেরিয়াল প্যালেসে ওই অনুষ্ঠানটি করা হয়। সেখানে রাজ পরিবারের প্রথা মেনে আকিশিনোর হাতে ঐতিহ্যবাহী তরোয়াল তুলে দিয়ে তাঁকে সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেন নারুহিতো।

[আরও পড়ুন: প্রাণীদেহ থেকে খামারের কর্মীদের সংক্রমণ? আতঙ্কে দেড় কোটি মিঙ্ক হত্যার সিদ্ধান্ত ডেনমার্কের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement