BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জল্পনায় ইতি টেনে জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ইওশিহিদে সুগা

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 14, 2020 4:14 pm|    Updated: September 14, 2020 4:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জল্পনায় ইতি টেনে জাপানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইওশিহিদে সুগা। সোমবার জাপানের শাসকদল ‘লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’র প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: বিষ দেওয়া হয়েছিল নাভালনিকে, এবার নিশ্চিত করল ফ্রান্স ও সুইডেন]

জাপানের প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে ছিলেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিগেরু ইশিবা। তিনজনের মধ্যে সুগা পেয়েছেন ৩৭৭টি ভোট, কিশিদা পেয়েছেন ৮৯টি ভোট এবং ইশিবা পেয়েছেন ৬৮টি ভোট। আগামী বুধবার পার্লামেন্টের নির্বাচনের পরই সুগাকে জাপান সরকারের নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হবে। ভোটে জেতার পর সুগা বলেন, “করোনা মহামারীর আবহে জাপানের জাতীয় রাজনীতিতে শূন্যতা একেবারেই কাম্য নয়।” শিনজো আবের দীর্ঘ দিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে পরিচিত সুগা তাঁর পূর্বসূরীর দেখানো পথে তাঁর নীতি অনুসরণ করেই চলবেন বলে জানিয়েছেন। সবাইকে চমকে দিয়ে শারীরিক অসুস্থতার জাপানের প্রধানমন্ত্রী পদে সম্প্রতি ইস্তফা দেন শিনজো আবে।

বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের রাজনীতিতে ইওশিহিদে সুগার উথ্থান চমকপ্রদ। দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজনীতির রাশ বরাবরই কুলীন রাজনেতাদের হাতে থেকেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে স্ট্রবেরি চাষীর ছেলে ও উত্তর জাপানের প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুল শিক্ষক সুগার (Yoshihide Suga) প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়া সত্যিই বিস্ময় জাগায়। বয়সে আবের থেকেও বড় ৭১ বছরের সুগা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেছেন। তবে বিচক্ষণ রাজনেতা বলে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। আবের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে তাঁর নীতিই মেনে চলবেন সুগা বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। মাঝে মাঝে জ্বর আসছে ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর ফলে besh koyekbar হাসপাতালেও যেতে হয়েছে তাঁকে। তখনই তাঁর পদত্যাগের বিষয়ে জল্পনা তৈরি হয়। তারপরই সেই জল্পনা সত্যি করে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী আবের শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। যতদিন যাচ্ছে ততই খারাপ হচ্ছে। এর ফলে দেশকে নেতৃত্ব দিতে সমস্যা হচ্ছে বলেই তিনি মনে করছেন। তাই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে পদত্যাগ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ভারতের বিরুদ্ধে চিনের আগ্রাসী নীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে, দাবি মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement